বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের রুগণ দশা

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে। বর্তমানে এটির বেহাল দশা স্বাস্থ্যসেবাকে বাধাগ্রস্ত করছে। ১৯৪৭ সালের দেশ বিভাজনের পর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটির কোনো উন্নয়ন ঘটেনি। একসময় জয়রামপুর গ্রামসহ অত্র অঞ্চলের মানুষরা চিকিৎসাসেবা নিতেন এই কেন্দ্রে। ওই  সময় এখানে প্রায় সব ধরনের সেবা মিলত।

জানা গেছে, ২৫ শতক জমির মধ্যে আট শতক জমিতে ছিল চার কক্ষবিশিষ্ট পাকা মূল ভবন। দীর্ঘদিনের ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়লে প্রায় ত্রিশ বছর আগে পরিত্যক্ত হয়। পরে ১৭ শতক জমির ওপর ইটের গাঁথুনি ও টিনের ছাউনি দিয়ে দুই কক্ষবিশিষ্ট আধাপাকা ভবন গড়ে তোলা হয়। জনবল চারজন থাকার কথা থাকলেও একজন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার ও অফিস সহায়ক চালাচ্ছেন স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি। নতুন ভবন এলাকার তিন পাশে প্রাচীর রয়েছে। তবে সামনের দিকে ফাঁকা, কোনো গেট নেই। ফলে ভবনটি অরক্ষিতই বলা যায়। এর বারান্দায় বাঁশের রেলিং ও তারের বেড়া দিয়ে ঘেরা। ভবনের চারপাশটা ঝোপঝাড়ে ভরা। এখানে প্রতিদিন ৭০-১০০ জন টিকিটের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা নিয়ে থাকেন। এখানে একজন মেডিক্যাল অফিসার, একজন ফার্মাসিস্ট, একজন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার ও একজন অফিস সহায়ক থাকার  কথা। অথচ দীর্ঘদিন ধরে দুজন মিলে কোনো রকমে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন।

উপ-সহকারী মেডিক্যাল অফিসার শামিম আহম্মদ বলেন, ভবনের টিনের ছাউনি ফুটো হয়ে গেছে। একটু বৃষ্টি হলেই পানি পড়ে ভেসে যায়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রাখতে খুবই সমস্যায় পড়তে হয়। তা ছাড়া এখানে প্রতিদিন গড়ে ১০০ জন রোগী সেবা নিতে আসেন।  জনবল-ওষুধ সরবরাহ পর্যাপ্ত না থাকায় সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হেলেনা আক্তার বলেন, আমি নতুন যোগদান করেছি। সব কিছু জানতে পারিনি। তবে কিছুটা জেনেছি। দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com