বুধবার, ০১ Jul ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
বান্দরবানে দুই সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলিতে ৮ জন নিহতের ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। পুলিশ বলছে, মরদেহগুলো শনাক্তে কাজ করছেন তারা। এদিকে, খামতাম পাড়ার বাসিন্দারা এঘটনার পর থেকে আতঙ্কিত অবস্থায় রোয়াংছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয়ে রয়েছেন।
উপজেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাদের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত বাসিন্দারা স্কুলেই আশ্রয়ে থাকবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
রোয়াংছড়ির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, গোলাগুলির ঘটনার পর প্রায় ৫০ জনের একটি দল ভয়ে সকালে এসে রোয়াংছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেয়। পরে ধীরে ধীরে ১৮৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন সেখানে। রুমার বম কমিউনিটি সেন্টারে আশ্রয় নেওয়া খিয়াং সম্প্রদায়েরর মানুষজন।
“এ ছাড়া আরও প্রায় ৬৪ পাহাড়ি নারী-পুরুষ ও শিশু রামু উপজেলা সদরের বম কমিউনিটি সেন্টারে গেছে বলে শুনেছি। সারাদিনই বিভিন্ন সময়ে মানুষ এসেছে।”
তাদের পরিবার প্রতি পাঁচ কেজি করে চাল এবং অন্যান্য সামগ্রী দেওয়া হয়েছে জানিয়ে ইউএনও বলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে এ ব্যাপারে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত থেকে বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে দুই সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে থেমে থেমে গুলি বিনিময় হয়। শুক্রবার সকালেও দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করে।