সোমবার, ২২ Jun ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

আ. লীগই ভোটে জিতবে : লন্ডনে নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী

আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগই ভোটে জিতবে, রবিবার (৭ মে) লন্ডনে নাগরিক সংবর্ধনায়  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই মন্তব্য করেন।

ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে লন্ডনে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের দেওয়া এক নাগরিক সংবর্ধনায় নানা পেশার মানুষের সঙ্গে হাজারো দলীয় নেতাকর্মী যোগ দিয়েছিলেন সেই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে প্রবাসীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগেরও আহবান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ বছর পর যখন আমরা সরকার গঠন করার সুযোগ পাই, তখন বঙ্গবন্ধু  হত্যা মামলার কার্যক্রম শুরু করি। বিভিন্ন বুদ্ধিজীবীরা যখন বাংলাদেশে হিউম্যান রাইটস নিয়ে প্রশ্ন তুলে তখন আমার শুধু মনে হয় আমাদের কি হিউম্যান রাইটস ছিল না? একটা মামলা পর্যন্ত করার অধিকার আমাদের ছিল না। তখন তো কেউ প্রশ্ন তুলেননি। আমার ছোট ভাই শেখ রাসেল কি অপরাধ করেছিল আমার মা কি অপরাধ করেছিল। আমার দুই ভাই তো মুক্তিযোদ্ধা ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেইসব খুনিদের জিয়া বিদেশে পাঠিয়ে দিয়েছিল। খালেদা জিয়া ফিরিয়ে এনে পররাষ্ট্র দপ্তরে চাকরি দেয়। ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে রশিদকে বিরোধী দলীয় নেতা বানায়, খুনিদের বারবার পুরস্কৃত করা। কী প্রমাণ করে?

তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে দেশকে আমরা যে জায়গায় রেখেছিলাম, তারা এসে সব ধ্বংস করে দেয়।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তারা আমাকে ভোট চোর বলে, আমি জিজ্ঞাসা করি ভোট চোর বলার অধিকার কি তোমাদের আছে? এরা স্বাধীনতার চেতনা, দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্টকারী খুনিদের দল। জীবনে রাজনীতি করবে না মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে পালিয়ে এসেছিল। বিএনপি হচ্ছে ভোট ডাকাতের দল।

জিয়াউর রহমান হ্যাঁ-না ভোট কি ছিল দেশের মানুষ জানে। সংবিধান ভঙ্গ করে একাধারে সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপ্রধান বনে যায় জিয়া।

প্রধানমন্ত্রী  বলেন, ১৯৯১ সালের নির্বাচনে কোনো দল যখন সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি তখন রাষ্ট্রপতি সাহাবউদ্দিন আমাকে প্রস্তাব দেন, জামায়াত ও জাতীয় পার্টি আপনাকে সমর্থন দেবে আপনি সরকার গঠন করতে পারেন। আমি না করেছিলাম জামায়াত আর জাতীয় পার্টিকে নিয়ে আমি সরকার গঠন করব না। দেশের মানুষ আমাদের নির্বাচিত করলেই তবে সরকার গঠন করব।

আওয়ামী লীগ ভোট চুরি করে বা ক্ষমতা দখল করে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসেনি, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৯৬ সালে সরকারে থাকা অবস্থায় আমেরিকা আমাকে প্রস্তাব দিল গ্যাস বিক্রি করতে হবে। আমি জানিয়ে দিলাম দেশের চাহিদা পূরণ করে ৫০ বছরের রিজার্ভ রেখে তবেই আমরা গ্যাস বিক্রি করব। আপনারা আগে সার্ভে করুন কী পরিমাণ গ্যাস আমাদের মজুদ আছে। তারা সার্ভে করতে পাঠায়, প্রথমবার সার্ভের পরেই আর কথা বলে না। বললাম জনগণের সম্পদ আমি বিক্রি করতে পারি না।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com