রবিবার, ২১ Jun ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

কে হবেন তুরস্কের সুলতান? চলছে ভোটগ্রহণ

তুরস্কের সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ। আজকের ভোটে নির্ধারণ হবে কে হবেন বর্তমান তুরস্কের সুলতান?

তুরস্কের প্রায় সাড়ে ছয় কোটি ভোটার আজ তাদের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট বেছে নেবেন। স্থানীয় সময় সকাল আটটা থেকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত ধাপের (রানঅফ) ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এদিনই তুর্কিরা নির্দিষ্ট করবেন যে তারা কাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে চান। এরদোগান কি দুই দশকের ক্ষমতার মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারবেন নাকি কেমাল কিলিচদারুগ্লু নতুন শুরু করবেন তা জানা যাবে দিনের শেষে।

গত ১৪ মে নির্বাচনের প্রথম রাউন্ডে ৪৯.৫২ শতাংশ ভোট পেয়ে সবার আগে ছিলেন এরদোয়ান। তবে সামান্যর জন্য তিনি নির্ধারিত সংখ্যক ভোট পেতে সক্ষম হননি। নির্বাচনে ৪৪.৮৮ শতাংশ ভোট পেয়ে কাছাকাছি ছিলেন কেমাল কিলিচদারুগ্লু। এই দুই জনের মধ্যেই চূড়ান্ত ধাপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। এই দু’জনের মধ্যেই চূড়ান্ত ধাপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। টিআরটি ও ডেইলি সাবাহ।

প্রথম ধাপের নির্বাচনের আগে দুই প্রার্থী যেভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছিলেন, ১৪ মের পর দ্বিতীয় ধাপের জন্য প্রায় ছয় কোটি ৪০ লাখ ভোটারকে আকৃষ্ট করতে তেমন কিছুই করেননি তারা। এই সময়ে তারা বিভিন্ন বার্তা দিয়েছেন এবং স্বল্পসংখ্যক জনগণের সাথে মিলিত হয়েছেন। রানঅফের দুই দিন আগে প্রেসিডেন্ট এরদোগান শুক্রবার ইস্তাম্বুলে নারীদের একটি বিশাল সমাবেশে ভাষণ দিয়েছেন। তিনি রোববারের নির্বাচনে তাদের সমর্থন চেয়েছেন। এ সভার আয়োজন করে এরদোগানের দল ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (এ কে পার্টি) মহিলা শাখা। এর সময় শুরু থেকে তাকে সমর্থন দেয়ার জন্য নারীদের ধন্যবাদ জানান এরদোগান। তিনি বলেন, ‘আমরা রোববার বিজয় অর্জন করব এবং সোমবার ইস্তাম্বুল বিজয় উদযাপন করব।’ ভিন্নধর্মী ছয়টি বিরোধী দলের পাশাপাশি আরেকটি প্রভাব সৃষ্টিকারী দল এইচডিপির সমর্থন পেয়েছেন কামাল কিলিচদারুগ্লু। এ ছাড়া নিজের দল একে পার্টি ও তার জোট ছাড়াও প্রথম ধাপের নির্বাচনে তৃতীয় অবস্থানে থাকা প্রেসিডেন্ট প্রার্থী সিনান ওগানের সমর্থন পেয়েছেন এরদোগান। এরই মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা তুর্কি ভোটাররা তাদের ভোট প্রদান করেছেন। সেসব ভোট বাক্সবন্দী হয়ে নিয়মমাফিক আঙ্কারায় পৌঁছে গেছে। গত বুধবার কূটনৈতিক মিশনে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে তিনটি বিমান করে ভোটগুলো তুরস্কে আনা হয়েছে। বিদেশে কাস্ট করা সব ভোট এটিও কংগ্রেসিয়ামে ওভারসিজ ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন বোর্ডে পৌঁছে দেয়া হবে। আজ রোববার বিকেল ৫টায় অন্যদের সাথে একযোগে ভোট গণনা করা হবে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সুপ্রিম ইলেকশন কাউন্সিল (ওয়াইএসকে) থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশে থাকা তুর্কিদের মধ্যে দ্বিতীয় রাউন্ডে ভোট দিয়েছেন ১৯ লাখের বেশি মানুষ। প্রথম ধাপে এই ভোট পড়েছিল ১৬ লাখ ৯১ হাজারের বেশি। সেই চেয়ে দ্বিতীয় ধাপে বেশি ভোট পড়েছে। চূড়ান্ত ধাপে যে প্রার্থী ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পাবেন তিনি আগামী পাঁচ বছর তুরস্ক শাসন করবেন। আজ স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে। শেষ হবে বিকেল ৫টায়। ভোট শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সুপ্রিম ইলেকশন কাউন্সিল (ওয়াইএসকে) বেসরকারি নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে দ্বিতীয় ধাপের ভোটের আগে বিভিন্ন জরিপে বলা হয়েছে যে, চূড়ান্ত ধাপে এরদোগানের জয়ের সম্ভাবনা অনকেটাই বেড়ে গেছে। তিনি ৫৪ শতাংশ ভোট পেতে পারেন। অন্য দিকে কামালের আশাও শেষ হয়ে যায়নি বলেও অনেকে মত দিয়েছেন। তবে সব কিছু মিলিয়ে শেষ হাসি কে হাসবেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে রোববার দিবাগত রাত পর্যন্ত।

এদিকে তুরস্কে রজব তাইয়্যিপ এরদোগান ৫২.৭ ভাগ ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট পদে পুনঃনির্বাচিত হবেন। আর তার প্রতিদ্বন্দ্বী কামাল কিলিচদারুগ্লু পাবেন ৪৭.৩ ভাগ ভোট। তুরস্কে আজ রোববার দ্বিতীয় রাউন্ডের ভোটের ঠিক আগ দিয়ে কোন্ডা নামের এক সংস্থার জরিপে এমন কথাই বলা হয়েছে। তবে ভোট মানেই খেলা এবং তাতে যেকোনো সময় যেকোনো কিছু ঘটে যেতে পারে।

গত ১৪ মে নির্বাচনের প্রথম রাউন্ডে ৪৯.৫২ শতাংশ ভোট পেয়ে সবার আগে ছিলেন এরদোগান। তবে সামান্যর জন্য তিনি নির্ধারিত সংখ্যক ভোট পেতে সক্ষম হননি। নির্বাচনে ৪৪.৮৮ শতাংশ ভোট পেয়ে কাছাকাছি ছিলেন কামাল কিলিচদারুগ্লু। এই দু’জনের মধ্যেই আজ চূড়ান্ত ধাপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

জয়ের জন্য দুজনই সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছেন। প্রথম দফার নির্বাচনে তৃতীয় স্থানে থাকা কট্টর জাতীয়তাবাদী প্রার্থী সিনান ওগান সমর্থন দিয়েছেন এরদোগানকে। তিনি ওই নির্বাচনে ভোট পেয়েছিলেন ৫.১৭ ভাগ। তার ভোটগুলো এরদোগান পেলে তিনি সহজেই জয়ী হয়ে যাবেন। তবে সব ভোট আসবে কিনা তা নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে সংশয় কাজ করছে।

এদিকে আরেক জাতীয়তাবাদী উমিত ওজদাগ সমর্থন দিয়েছেন কিলিচদারুগ্লুকে। তিনি প্রথম দফার নির্বাচনে ২.২ ভাগ ভোট পেয়েছিলেন।

প্রথম ধাপের নির্বাচনের আগে দুই প্রার্থী যেভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছিলেন, ১৪ মের পর দ্বিতীয় ধাপের জন্য প্রায় ছয় কোটি ৪০ লাখ ভোটারকে আকৃষ্ট করতে তেমন কিছুই করেননি তারা। এই সময়ে তারা বিভিন্ন বার্তা দিয়েছেন এবং স্বল্পসংখ্যক জনগণের সাথে মিলিত হয়েছেন। রানঅফের দুই দিন আগে প্রেসিডেন্ট এরদোগান শুক্রবার ইস্তাম্বুলে নারীদের একটি বিশাল সমাবেশে ভাষণ দিয়েছেন। তিনি রোববারের নির্বাচনে তাদের সমর্থন চেয়েছেন। এ সভার আয়োজন করে এরদোগানের দল ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (এ কে পার্টি) মহিলা শাখা। এর সময় শুরু থেকে তাকে সমর্থন দেয়ার জন্য নারীদের ধন্যবাদ জানান এরদোগান। তিনি বলেন, ‘আমরা রোববার বিজয় অর্জন করব এবং সোমবার ইস্তাম্বুল বিজয় উদযাপন করব।’

সূত্র : আরব নিউজ, আল জাজিরা, ডেইলি সাবাহ ও অন্যান্য

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com