বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ সফলভাবে বাস্তবায়নের পর, স্মার্ট বাংলাদেশে উত্তরণের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে সরকার প্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম এবং কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষকদেরও আইসিটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
তথ্য প্রযুক্তিতে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পাঠদান পদ্ধতির আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ২০০৯ সাল থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট ৩৩ হাজার ২৮৫টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম এবং ১১ হাজার ৩০৭টি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও, ভবিষ্যতে ৬৪ হাজার ৯২৫ টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম এবং ১২ হাজার ল্যাব স্থাপন করা হবে।
বাসস-এর সাথে আলাপকালে অ্যাসপায়ার টু ইনোভেট (এটুই) প্রোগ্রামের প্রকল্প পরিচালক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষার ওপর বেশি গুরুত্ব¡ দিচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, “ডিজিটাল বাংলাদেশ” এর সফল বাস্তবায়ন সরকারকে উদ্ভাবনী ও জ্ঞানভিত্তিক ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে উৎসাহিত করেছে, যা বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করার জন্য ‘ভিশন-২০৪১’ এর সাথে মিলে যায়।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশকালে বলেছেন, “আমাদের লক্ষ্য বিজ্ঞানভিত্তিক, প্রযুক্তিভিত্তিক, দক্ষতা বৃদ্ধি, উদ্ভাবন এবং সৃজনশীলতা-সমর্থক শিক্ষা প্রদান করা, যা সেবা প্রদানের চেতনা এবং তাদের বিবেককে জাগ্রত করবে।” তিনি উল্লেখ করেন, “আজকের শিশুরাই আমাদের উন্নত-সমৃদ্ধ-স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেবে। তাই, আমরা ছাত্রদের প্রধানত চতুর্থ শিল্প বিপ্লব, জলবায়ু পরিবর্তন এবং সামনের দিকে অগ্রসর হওয়াসহ সমস্ত আসন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে সক্ষম করতে চাই।”