মঙ্গলবার, ৩০ Jun ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
দুদকের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আশ্বাসে ৫০ লাখ টাকা লেনদেনের সময় আটক করা হয়েছে চার জনকে। যাদের একজন দুদকের মানি লন্ডারিং বিভাগের মহাপরিচালকের ব্যক্তিগত সহকারী, একজন চাকরিচ্যুত পুলিশ কনস্টেবল।
গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে দুদকের প্যাড, সিল, খাম ব্যবহার করে মানুষকে ভয় দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করছিল।
দুদকের মামলা থেকে মুক্তি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়া হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে মতিঝিলের হিরাঝিল হোটেলে অভিযান চালায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। ঘুষ নিতে যান দুদকের মানি লন্ডারিং বিভাগের মহাপরিচালকের ব্যক্তিগত সহকারী গৌতম ভট্টাচার্য, পুলিশের এক চাকরিচ্যুত কনস্টেবল ও তার দুই সহযোগী।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদ জানান, মিষ্টির প্যাকেট ভর্তি টাকা লেনদেনের সময় হাতেনাতে তাদের আটক করা হয়। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সই জাল করে আশিকুজ্জামান নামের এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের একটি চিঠি তৈরি করেন গৌতম ভট্টাচার্য। দুদকে যেন অভিযোগ নথিভুক্ত না করা হয় সেজন্যই লেনদেন হচ্ছিল ঘুষের।
হারুন অর রশিদ আরও বলছে, দুদকের নামে চাঁদাবাজির বেশ কিছু অভিযোগ যায় কমিশনের কাছে।
এ চক্রের সদস্য সংখ্যা অনেক জানিয়ে গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, সারা দেশেই রয়েছে এ চক্রের সদস্য। মূলত ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে এই চক্রের সদস্যরা।
দুদকের ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা এ চক্রের সাথে জড়িত আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।