বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছিল বার্সেলোনা। তবে পিছিয়ে যেতেও সময় লাগেনি। তাতে প্রথমার্ধটা ছিল টটেনহ্যামেরই। তবে সকালের সূর্য যেমন সারাদিনের পূর্বাভাস দিয়ে যায়, রবার্ট লেভানদোফস্কির গোল যেন সেটাই দিয়েছিল কাতালান ক্লাবটিকে। আর তাই তো শেষ মুহূর্তের জন্য যেন জমিয়ে রেখেছিল নাটকীয়তা। ১৩ মিনিটের ব্যবধানে তিন গোল পেয়ে জোয়ান গ্যাম্পার কাপ ট্রফির শিরোপা জিতে নিয়েছে বার্সেলোনা।
কমিউনিটি শিল্ড বা ফিনালিসসিমার মতোই এক ম্যাচের টুর্নামেন্ট এই গ্যাম্পার কাপ। সেই টুর্নামেন্টে টটেনহ্যামকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়েছে বার্সেলোনা। ক্যাম্প ন্যুতে সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় নিজেদের অস্থায়ী মাঠ এস্তাদি অলিম্পিক লুইস কোম্পানিজে গড়ায় ম্যাচটি। এই মাঠ আপাতত কাতালানদের হোম ভেন্যু। মাঠের অভিষেক ম্যাচেই জয় পেয়ে যায় বার্সা।
খেলার তৃতীয় মিনিটেই গোলের দেখা পেয়ে যায় বার্সেলোনা। রাফিনহার বাড়িয়ে দেওয়া বলটি নিজের পায়ের টোকায় টটেনহামের জালে জড়ান লেভানদোফস্কি। তাতেই উল্লাসে মেতে উঠে বার্সা।
তবে স্বাগতিকদের সেই উচ্ছ্বাস বেশিক্ষণ টিকেনি। ম্যাচের ২৪ মিনিটেই গোল পেয়ে যায় হ্যারি কেইনকে ছাড়া খেলতে নামা স্পার্সরা। ইংলিশ ক্লাবটির মিডফিল্ডার ওলিভার স্কিপ একাই বল বানিয়ে বার্সার জাল ভেদ করেন। সেই গোলের পরই থেমে থাকেনি টটেনহ্যাম। ৩৬ মিনিটে স্কিপ ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এবার অবশ্য একা নন। ইভান পেরিসিক বল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। সেটা পেয়েই বার্সার জালে দ্বিতীয়বার বল জড়ান তিনি।
এই ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল। বিরতির স্পাররা আরও শক্তিশালি হয়ে ফিরবে। আরও একাধিক গোলে মাতাবে নিজেদের সমর্থকদের। কিন্তু হলো তার উল্টোটা
যদিও ম্যাচের ৮০ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রেখেছিল স্পার্সরা। কিন্তু পরের ১৩ মিনিটেই ম্যাচের মোড় বদলে যায়। ঐ সময়ে মাঠে খেলোয়াড় পরিবর্তন করেন বার্সা কোচ জাভি। ৮০ মিনিটে ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার বদলী হিসেবে মাঠে নামান লামিন ইয়ামাল। পরের মিনিটেই ফেরান তরেসের দিকে ইয়ামাল বাড়িয়ে দেন বল। সেটা পেয়েই টটেনহ্যামের জালে জড়ান তরেস। তাতে সমতায় ফেরে বার্সা।
গোল করার পর তরেস যেন একটি গোল করাতেও চাইলেন। আর তাই তো খেলার ৯০ মিনিটে আনসু ফাতির যে গোলে এগিয়ে যায় কাতালান ক্লাবটি। তাতে অবদান রাখেন গোল করানোয়। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে আবদে এজাজুলির গোলে ৪ গোলের জয় নিশ্চিত করে। সেই গোলটি করান ফারমিন লোপেজ।