সোমবার, ২৯ Jun ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়াকে সংযুক্ত করতে একটি বহুজাতিক রেল ও বন্দর চুক্তি ঘোষণা করেছেন ভারত, সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নেতারা। আজ শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে জি-২০ সম্মেলনের সাইডলাইন বৈঠক থেকে এ ঘোষণা আসে। খবর রয়টার্স ।
এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জি-২০ গ্রুপে উন্নয়নশীল দেশগুলো জন্য বিকল্প অংশীদার ও বিনিয়োগকারী হিসেবে ওয়াশিংটনের পরিকল্পনা সামনে এনেছেন। যার মাধ্যমে বৈশ্বিক অবকাঠামোতে চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোডের চাপকে মোকাবেলা করার চেষ্টা করছেন তিনি।
‘প্রকৃত বড় চুক্তি’ উল্লেখ করে তিনি জানান, দুটি মহাদেশ জুড়ে বন্দর সেতু তৈরি হবে। যা মধ্যপ্রাচ্যকে আরো স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ ও সমন্বিত করে তুলবে।
চুক্তি ঘোষণা অনুষ্ঠানে বলেন, এর আওতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের অন্তহীন সুযোগ তৈরি হবে। যা সম্প্রদায়গুলোর যোগাযোগে কাজ করবে।
শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আজ যখন আমরা এত বড় সংযোগের উদ্যোগ শুরু করেছি, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য বড় স্বপ্ন দেখার বীজ বপন করছি।’
যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার জন ফিনার সাংবাদিকদের বলেন, চুক্তিটি এ অঞ্চলের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে উপকৃত করবে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে মধ্যপ্রাচ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কর্মকর্তারা জানান, চুক্তির লক্ষ্য শিপিংয়ের সময়, খরচ ও জ্বালানি খরচ কমিয়ে মধ্যপ্রাচ্যকে রেলপথের মাধ্যমে সংযুক্ত করা এবং বন্দরের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত করা, উপসাগর থেকে ইউরোপে জ্বালানি ও বাণিজ্য প্রবাহে সহায়তা করা।
চুক্তির জন্য একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য জি-২০ অংশীদাররা।
ফিনার বলেন, প্রধান অঞ্চলগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য এটি আমাদের সামনে বিশাল সুযোগ।
তবে চুক্তির মূল্যের কোনো তাৎক্ষণিক বিবরণ পাওয়া যায়নি।
মধ্যপ্রাচ্যে একটি বৃহত্তর কূটনৈতিক চুক্তির জন্য মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যে পদক্ষেপটি এসেছে। যার উদ্দেশ সৌদি আরব যেন ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়।
ফিনার আরো জানান, চুক্তিটি সমস্ত অঞ্চল জুড়ে উত্তেজনা কমাতে ও সংঘাতের সমাধানে সহায়তা করবে।