সোমবার, ২৯ Jun ২০২৬, ০২:০৭ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

জাতিসংঘ শীর্ষ আদালতের মুখোমুখি ইউক্রেন-রাশিয়া

গত বছরের আগ্রাসনের কারণ হিসেবে  ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে ‘গণহত্যা’ সংক্রান্ত মস্কোর দাবির প্রেক্ষিতে রাশিয়া ও ইউক্রেন সোমবার থেকে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের মুখোমুখি হবে।
জাতিসংঘের শীর্ষ আদালতের রাশিয়ার চলমান সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করার আদেশ দেওয়ার এখতিয়ার আছে কি-না তা নিয়ে হেগের শান্তি প্রাসাদে দুই যুদ্ধরত দেশের প্রতিনিধিরা মুখোমুখি হবেন। খবর এএফপি’র।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ আগ্রাসনের নির্দেশ দেয়ায় ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রুশপন্থীরা কিয়েভ শাসকের আক্রোশ ও গণহত্যার শিকারের যুক্তি দেখায়। আগ্রাসনের দু’দিন পর রাশিয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে ইউক্রেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলা দায়ের করে। ইউক্রেন জোরালোভাবে অস্বীকার করে যুক্তি দেখায় যে, রাশিয়ার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা গণহত্যার বিষয়টি ১৯৪৮ সালের জাতিসংঘের গণহত্যা কনভেনশনের পুেরাপুরি লঙ্গন। ২০২২ সালের মার্চ মাসে আইসিজে ইউক্রেনের পক্ষে থেকে রাশিয়াকে তার সামরিক পদক্ষেপ অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। তবে রায়টি ছিল তথাকথিত একটি ‘প্রাথমিক রায়।’ আদালত প্রকৃতপক্ষে বিষয়বস্তু নিয়ে রায় দিতে সক্ষম কি-না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত মুলতুবি রয়ে যায়।
রাশিয়ার মতে, আইসিজে’র এই বিষয়ে রায় দেয়ার এখতিয়ার নেই কারণ, ইউক্রেনের মামলাটি জাতিসংঘের জেনোসাইড কনভেনশনের আওতার বাইরে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালত গঠিত হয়। রাশিয়ার চলমান সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করার আদেশ দেওয়ায় আদালতের এখতিয়ার আছে কি-না তা নিয়ে তা সিদ্ধান্ত নিতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।
রাশিয়া আগ্রাসনের পূর্বে কয়েক বছর ধরে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহীদের সমর্থন করার অভিযোগ নিয়ে গঠিত ইউক্রেনের দায়ের করা একটি পৃথক মামলাও মোকাবেলা করছে আইসিজে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com