বৃহস্পতিবার, ১১ Jun ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
লক্ষ্মীপুর-৩ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ৫ নভেম্বর উপনির্বাচন হয়। দুই আসনেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থী জয়ী হন। এ দুই আসনের ভোটের অনিয়ম নিয়ে গণমাধ্যমে বিভিন্ন খবর ও ছবি প্রকাশ হয়। পরে ইসি এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ স্থগিত করে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে তদন্ত করার নির্দেশনা দেয় ইসি।
গতকাল ইসি সচিব বলেন, ‘লক্ষ্মীপুর-৩ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ উপনির্বাচনে অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছে। অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেছে। লক্ষ্মীপুরের যে কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়ার অভিযোগ ছিল, সেই কেন্দ্রের ভোট বাতিল করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যে কেন্দ্র নিয়ে অভিযোগ ছিল তাও বাতিল করা হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এসব কেন্দ্রের ভোট বাদ দিয়ে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর ভোট হিসাব করে নতুন করে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) সংশোধনী এনে একটি নতুন ধারা যুক্ত করেছে। যেখানে বলা আছে, রিটার্নিং কর্মকর্তা ভোটের ফলাফল ঘোষণা করার পরও যদি কোনো ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হন অথবা কোনো যৌক্তিক তথ্য-উপাত্ত নির্বাচন কমিশনের গোচরীভূত হয় নির্বাচন কমিশন ওই আসনের গেজেট স্থগিত রেখে অভিযোগটি আমলে নিতে পারবে।
এর আগে গত বছরের ১২ অক্টোবর গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে পুরো আসনের ভোট বাতিল করে নির্বাচন কমিশন।