বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
ছয় বছরেরও নিষেধাজ্ঞার কবলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার মারলন স্যামুয়েলস। আবুধাবির টি-টেন ক্রিকেট লিগে খেলার সময় দুর্নীতিবিরোধী ৪টি ধারা ভঙ্গের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়ে এই শাস্তি পেলেন স্যামুয়েলস। তবে ওই মৌসুমে টুর্নামেন্টের কোনো ম্যাচই খেলেননি তিনি। নিষেধাজ্ঞা ১১ নভেম্বর ২০২৩ থেকে কার্যকর হয়। প্রায় একইরকম অভিযোগ আছে বাংলাদেশি অলরাউন্ডার নাসির হোসেনের বিপক্ষেও।
এক বিবৃতিতে এইচআর এবং ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের আইসিসির মহাব্যবস্থাপক অ্যালেক্স মার্শাল বলেছেন, ‘স্যামুয়েলস প্রায় দুই দশক ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন, সেই সময় তিনি অসংখ্য দুর্নীতিবিরোধী সেশনে অংশ নিয়েছিলেন এবং দুর্নীতিবিরোধী কোডের অধীনে তার বাধ্যবাধকতা ঠিক কী তা তিনি জানতেন।
স্যামুয়েলসের বিপক্ষে যে চারটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছিল, দুর্নীতিবিরোধী স্বতন্ত্র ট্রাইব্যুনালে শুনানির পর সবকটিই প্রমাণিত হয়েছে। ট্রাইব্যুনালে নিজের অধিকার স্যামুয়েলস প্রয়োগ করেছেন বলেও জানায় আইসিসি। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্কের ভিত্তিতে স্যামুয়েলসকে শাস্তি দেয়া হয়।
আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী কোডের ২.৪.২, ২.৪.৩, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ নম্বর ধারা ভেঙেছেন স্যামুয়েলস।উপহার, অর্থ, আতিথেয়তা বা অন্য সুবিধা নেয়া এবং এ সকল তথ্য আকসুর কর্মকর্তাকে না জানানোয় বা জানাতে দেরি করায় এসব ধারা ভঙ্গ হয়। তার বিরুদ্ধে ৭৫০ বা এর বেশি ইউএস ডলার নেয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
এর আগেও দুর্নীতির অভিযোগে সাজা পেয়েছিলেন স্যামুয়েলস। ২০০৮ সালে এমন অপরাধে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিলো তাকে। ২০০৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারতের ওয়ানডে ম্যাচের তথ্য বাইরে পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়েন।