বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

ইউরোপের প্রযুক্তি খাতে অর্ধেকের বেশি বিনিয়োগ কমেছে

গত বছর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বিকাশ হওয়ার পর প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ার বিষয়ে নতুন আশার সঞ্চার হয়। কিন্তু চলতি বছর ইউরোপের প্রযুক্তি খাত ছিল সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী। এ সময় অঞ্চলটিতে বিনিয়োগ অর্ধেকের বেশি কমে এসেছে। খবর সিএনবিসি।

ক্রমবর্ধমান সুদহারের কারণে বিনিয়োগকারীরা পিছিয়ে এসেছে। সম্প্রতি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল সংস্থা অ্যাটোমিকো জানিয়েছে। তবে প্রযুক্তি খাতের মধ্যে এআইতেই শুধু বড় পরিসরে বিনিয়োগ হয়েছে। এর মধ্যে ওপেনএআইয়ে চ্যাটজিপিটি, গুগলের বার্ড অন্যতম।

সংস্থাটি জানায়, চলতি বছর কোম্পানিগুলো তাদের কার্যক্রম পুনর্মূল্যায়ন করছে এবং মহামারী-পূর্ব অবস্থার বিপরীতে রয়েছে। সে সময় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো ভালো বিনিয়োগ পেয়েছিল। সংস্থাটির ডাটা ইনসাইটস বিভাগের প্রধান টম ওয়েহমেইয়ার সিএনবিসিকে বলেন, ‘২০২১ ও ২০২২ সালে অঞ্চলটির প্রযুক্তি খাত ভালো প্রবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে গেছে। এর পরই বিনিয়োগ কমে আসার এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।’

ওয়েহমেইয়ার বলেন, ‘ইউরোপের প্রযুক্তি বাজারে যুক্তরাষ্ট্র ও এশিয়ার প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। টাইগার গ্লোবাল ও কোটুর মতো কোম্পানি ২০২০-২১ সালে বাজারে ভালো অবস্থানে ছিল। কিন্তু সামষ্টিক অর্থনৈতিক কারণে গত বছর কোম্পানিগুলো অনেকটাই কার্যক্রম গুটিয়ে নিয়েছে। ২০২০ সালে থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনে যথাক্রমে ৮ ও ৯ শতাংশ বিনিয়োগ কমেছে। সেখানে ইউরোপে একই সময়ে বিনিয়োগ ১৯ শতাংশ বেড়েছে।

আলেফ আলফা, মিস্ট্রাল ও ডিপএলের মতো কোম্পানি কয়েক লাখ ডলারের তহবিল সংগ্রহ করেছে। অ্যাটোমিকোর মতে, ১০ কোটি ডলার বা তার বেশি তহবিল সংগ্রহের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে এআই। এর কল্যাণে ১১টি কোম্পানি এ তহবিলে যুক্ত হতে বা সুবিধা পেয়েছে। অন্যদিকে এআই প্রতিভার দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ কেন্দ্র হচ্ছে ইউরোপ। অঞ্চলটিতে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এআইয়ের ব্যবহার ১০ গুণ বেড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রকেও ছাড়িয়ে গেছে।

অ্যাটোমিকোর মতে, জলবায়ু প্রযুক্তি অন্যতম একটি খাত। ২০২৩ সালে ইউরোপের প্রযুক্তি খাতে সার্বিকভাবে যে বিনিয়োগ করা হয়েছে তার ২৭ শতাংশই ছিল কার্বন ও জ্বালানিকেন্দ্রিক, যা ২০২১ সালের তুলনায় তিন গুণ বেশি। সংস্থাটির মতে, ইউরোপের সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সম্মিলিত বাজারমূল্য ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি। ২০২২ সালে নিম্নমুখী থাকার পর পুনরায় আগের অবস্থানে ফিরছে অঞ্চলটির প্রযুক্তি খাত।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com