বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেছেন, গাজায় এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনো কিছু দেখেনি যাকে গণহত্যা বলা যায়। জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার ‘গণহত্যার মামলা’ বিষয়ে গতকাল বুধবার (৩ জানুয়ারি) এক প্রতিক্রিয়া তিনি এ কথা বলেন। আগামী সপ্তাহে সংস্থাটি দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইসরাইলের বক্তব্য শুনবে। খবর ভয়েস অব আমেরিকা।
দক্ষিণ আফ্রিকা চায়, গাজায় সামরিক তৎপরতা বন্ধ করতে অবিলম্বে যেন ব্যবস্থা নেয় আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালত (আইসিজে)। যদিও এর আগে আন্তর্জাতিক ফোরামে একাধিক আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল।
গণহত্যার অভিযোগ আনায় দক্ষিণ আফ্রিকার সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি ইসরাইলের বিরুদ্ধে দোষারোপকে প্রত্যাখ্যান করেছে।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েল সীমান্ত অতিক্রম করে হামলা করে হামাস। ওই ঘটনায় এক হাজার ২০০ ইসরায়েলি নিহত হয়। এরপর থেকে হামলা অব্যাহত রেখেছে তেল আবিব। এতে এ পর্যন্ত সাড়ে ২২ হাজারের মতো ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
১৯৯৭ সালে হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের মুখপাত্র জন কিরবি এক সংবাদ সম্মেলনে গতকাল বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার এই মামলার কোনো ভিত্তি নেই।
অন্যদিকে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যায়নে এ মুহূর্তে এমন কিছু দেখা যায়নি যাকে গণহত্যা বলা যায়।
তিনি আরো বলেন, গণহত্যা নিঃসন্দেহেই একটি ঘৃণ্য কাজ। এই ধরনের অভিযোগকে হালকাভাবে নেয়া উচিত নয়।
এদিকে এক বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালত জানিয়েছে, হেগের পিস প্যালেসে আগামী ১১ ও ১২ জানুয়ারি এ মামলার প্রকাশ্য শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
গত ২৯ ডিসেম্বর এ মামলার আবেদন করে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেখানে বলা হয়, জেনসাইড কনভেনশন লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল। গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে গণহত্যাজনিত কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হয়েছে ইসরায়েল, যা আরো বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে। দ্রুত এ অভিযোগ অস্বীকার করে তেল আবিব। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, গাজায় ‘অতুলনীয় নীতিবোধ’ প্রদর্শন করছেন তারা।