বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৫:২২ পূর্বাহ্ন
আজ সোমবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।
তিনি বলেন, ‘৭ জানুয়ারির ডামি নির্বাচন অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে হবে। আগামীকাল মঙ্গল ও বুধবার সরকারের বিদায়ের আহ্বানে গণসংযোগ চলবে। লিফলেট বিতরণ ও মানুষের দ্বারে যাব।’
একদলীয় সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না তা আবারও প্রমাণ হয়েছে মন্তব্য করে মঈন খান বলেন, সরকার ধারাবাহিকভাবে ভোটাধিকার ছিনিয়ে নিয়ে নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর তাদের আস্থা কেড়ে নিয়েছে। ভোট বর্জন করে সরকার ও তাদের নির্বাচন যে ভুয়া, তা জনগণ প্রমাণ করে দিয়েছে। এ নির্বাচনের পর বর্তমান সরকারকে বলা যায় ‘অফ দ্যা ডামি, বাই দ্যা ডামি, ফর দ্যা ডামি’।
বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন, ২৭ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশ ভোটের ঘোষণা মিথ্যা প্রকাশ হয়ে গেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবের বক্তব্যে। কানে কানে শিখিয়ে দেওয়া বক্তব্যই দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
শতকরা কতভাগ ভোট পড়েছে এমন প্রশ্নে মঈন খান বলেন, সরকার যে সংখ্যা বলে দেবে কমিশন তাই বলবে। সেক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ ভোট কাস্ট দেখানো অর্থহীন ফিগার।‘ভোটের অনিয়মের পর ৪০ হাজার কেন্দ্রের মধ্যে ৪ থেকে ৫টা কেন্দ্রে নির্বাচন বন্ধ করে ইসি তাদের নিরপেক্ষতা প্রমাণের ব্যর্থ চেষ্টা করেছ, এটা হাস্যকর বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রমাণ হয়েছে মেরুদণ্ডহীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।’
নতুন করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানিয়ে স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, সরকারকে বিদায় নিতে হবে। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলন চালিয়ে যাবে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। বিএনপি লগি-বৈঠার রাজনীতি করে না। কারও গায়ে হাত দেয় না বিএনপি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও বেগম সেলিমা রহমান।