বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ‘নির্বাচন পদ্ধতির ওপর থেকে জনগণের আস্থা কমে গেছে। ফলে নির্বাচন কমিশন নিয়ে মানুষের মধ্যে অনেক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। নির্বাচন পদ্ধতিতে আরো বেশি সংস্কার, স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা হলে আগামী নির্বাচন আরো বেশি গ্রহণযোগ্য হবে।’
অনুষ্ঠানে সিইসি বলেন, ‘কোনো নির্বাচনই কিন্তু বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠতে পারেনি। এবারকার নির্বাচনটা নিয়ে আমরা হয়তোবা খুব সন্তুষ্ট বোধ করছি। আবার বলতে হবে এ নির্বাচনটা বিতর্কের ঊর্ধ্বে যেতে পারেনি। বিতর্কটা আছে কম-বেশি। তবে যেটা আশঙ্কা করা হয়েছিল যে ব্যাপক অনিয়ম ইত্যাদি হবে, সেই জিনিসটাকে উতরে নির্বাচনটাকে তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি সফল-গ্রহণযোগ্য করা সম্ভব হয়েছে। এমনকি আমি আগেও বলেছি যে বিদেশী বিভিন্ন সংস্থা, রাষ্ট্র, বিভিন্ন সংগঠন আমাদের নির্বাচনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছে। তারাও নির্বাচন বিষয়ে বিভিন্ন গাইডলাইন দিচ্ছিলেন এবং নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ করতে হবে, এমন একটা ইচ্ছা ব্যক্ত করেছিলেন।’
সিইসি বলেন, ‘নির্বাচন খুব যে অংশগ্রহণমূলক হয়েছে তা নয়। সার্বিক রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে গ্রহণযোগ্য না হলে একটা রাজনৈতিক সংকট থেকে যায়। একটা অংশ শুধু নির্বাচন বর্জন করেনি, প্রতিরোধ করারও ঘোষণা দেয়। সেদিন থেকে সংকট শুরু। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথ কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। তবে সবার সমন্বিত প্রয়াসে নির্বাচন উঠিয়ে আনা হয়েছে। সাময়িকভাবে হলেও জাতি স্বস্তিবোধ করেছে। নির্বাচন কমিশনও স্বস্তিবোধ করেছে।’
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে নির্বাচন কমিশনার মো. আহসান হাবিব খান, রাশেদা সুলতানা, মো. আলমগীর ও মো. আনিছুর রহমান বক্তব্য দেন। সভাপতিত্ব করেন ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম। অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।