বৃহস্পতিবার, ১৮ Jul ২০২৪, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
‘কোটাবিরোধী আন্দোলনকে রাষ্ট্রবিরোধী আন্দোলনে রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে’ রপ্তানি পণ্যে নতুনত্ব আনার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর ঢাবিতে ৩ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলছে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ইতিহাস জানে না, তাই এ স্লোগান দিতে তাদের লজ্জা হয় না: প্রধানমন্ত্রী ভারতে উপনির্বাচনে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের জয়জয়কার সীমান্ত থেকে দেশের অভ্যন্তরে ১০ মাইল বিজিবির সম্পত্তি ঘোষণাসহ ৪ পরামর্শ হাইকোর্টের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর বিষয়ে মিয়ানমার ইতিবাচক সময় পেলে ফুটবল খেলা দেখি : প্রধানমন্ত্রী কোটা ইস্যুতে কাউকে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে দেবে না ছাত্রলীগ রোববার গণপদযাত্রা, রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দেবে কোটা আন্দোলনকারীরা

আবারও অনড় অবস্থানের কথা জানালেন শিক্ষার্থীরা

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ক্যাম্পাস ছাত্র রাজনীতিমুক্ত রাখার দাবিতে অনড় শিক্ষার্থীরা। মধ্যরাতে ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর প্রবেশের প্রতিবাদে গতকাল রোববার তৃতীয় দিনের মতো আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন অব্যাহত রেখেছেন।

তারা জানিয়েছেন, রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস, অপশক্তির কবল থেকে প্রতিষ্ঠানকে মুক্ত করা এবং নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে সব ব্যাচের শিক্ষার্থী অবিলম্বে একাডেমিক কার্যক্রমে ফিরে যাবেন। গতকাল সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব কথা জানান।

এদিন সকাল থেকে শিক্ষার্থীদের বুয়েট শহীদ মিনারে অবস্থান নেওয়ার কথা ছিল। তবে তাদের সেখানে দেখা যায়নি। এ সময় ক্যাম্পাসের সব প্রবেশপথেও প্রবেশ সীমিত ছিল। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাজনিত শঙ্কায় রয়েছেন। এ কারণে এদিন কোনো সমাবেশ করেননি। ক্যাম্পাসের আশপাশের এলাকায় শনিবার রাত থেকে ক্রমাগত মাইকিং করা হয়, শিক্ষার্থীদের ফোন করে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানারকম গুজব ছড়ানো, বুয়েট শিক্ষার্থীদের মিথ্যা ট্যাগ দেওয়া, শিক্ষার্থীদের ছবি নাম-পরিচয়সহ পোস্ট করে তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা গুরুতরভাবে বিঘ্নিত হয়– এমন অপপ্রচার চালানো হয়েছে। এতে ক্যাম্পাস এবং আশপাশের এলাকা শিক্ষার্থীদের জন্য অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। এমনকি ক্যাম্পাসের বাইরেও শিক্ষার্থীরা তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।

তবে তারা বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে শিক্ষার্থীদের রোববার ক্যাম্পাসে অবস্থান না নেওয়া মানে এই নয় যে, তারা ছাত্র রাজনীতিবিহীন ক্যাম্পাসের দাবি থেকে সরে এসেছেন। ২০তম ব্যাচের ১ হাজার ২১৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ২১৪ জনই রোববারের পরীক্ষায় অংশ নেননি। শনিবার ২২তম ব্যাচের প্রথম টার্ম ফাইনাল পরীক্ষাতেও কোনো শিক্ষার্থী অংশ নেননি। তারা আরও বলেন, দাবি আদায় হলে শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরে যাবেন। ইতোমধ্যে পরীক্ষাগুলো রি-শিডিউল করার আবেদন জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com