বুধবার, ০১ Jul ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
জুলাই স্মরণে জামায়াতের ৩৬ দিনের কর্মসূচি অনলাইন বেটিংয়ে ৭ বছর জেল, ৫ কোটি টাকা জরিমানা হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা নিষেধ, গণমাধ্যমকে আদালতের নির্দেশনা মানতে হবে : তথ্য উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

শীতের সবজি বাজারে, স্বস্তি নেই ক্রেতাদের

অর্থনীতি ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে শীতকালীন সবজি পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকলেও কিছুতেই দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না। গত কয়েক মাস ধরে যে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছিল সেই দামেই চলছে বেচাবিক্রি।

শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, জিগাতলা কাঁচাবাজার, মিরপুর-১ নম্বর কাঁচাবাজারসহ আরও কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ফুলকপি ও বাঁধাকপির আকার ভেদে দাম গত সপ্তাহের মতোই ৫০ থেকে ৫৫ টাকা করে, প্রতি পিস লাউয়ের দাম ৮০ টাকাম শিম প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, বেগুন ৭৫-৮০ টাকা, মুলা ৭০ টাকা, বরবটির ৯০ থেকে ১০০ টাকা, কাকরোল ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, ঝিঙে ৭৫ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৯০ টাকা, পটোল ৮০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৫০- ১৬০ টাকা কেজি, গাজর ১০০ টাকা, কাঁচা কলা হালি ৪০ টাকা, লেবুর হালি ৩০-৪০ টাকা।

রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী আজিজ মিয়া বলেন, দেশে এখনো শীত ঠিকমতো শুরু হয়নি। আবার শীতের সবজির সরবরাহ এখনো কম। শীতের শুরুতে সবজির উৎপাদন ও যোগাযোগ বেশি থাকবে। তখন সবজির দাম কমে আসবে।

বাজারে সবজি থাকা সত্ত্বেও দাম কেন কমছে না এমন এক প্রশ্নের জবাবে কারওয়ান বাজারের খুচরা বিক্রেতা হান্নান হোসেন বলেন, আমরা পাইকারদের কাছ থেকে যে দামে কিনি, তার থেকে কিছু বেশি দামে বিক্রি করি। কিছু লাভ না করলে আমরা চলবো কিভাবে। তবে বাজারে যোগান কম থাকায় দাম বেশি।

এদিকে, বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সরকারের বেধে দেওয়া আলুর দাম লক্ষ্য করা যায়নি খুচরা বাজারে। আলু বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে। যদিও সরকারের নির্ধারিত দর ৩৫ টাকা। এ দামে কোথাও আলু বিক্রি করতে দেখা যায়নি। শীতের শুরুতে নতুন আলু চলে এসেছে বাজারে। প্রতি কেজি নতুন আলুর দাম ১২০ থেকে ১৪০ টাকা।

এছাড়া বাজারে চীনা ও তুরস্কের পেঁয়াজের দাম মান ভেদে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। পাকিস্তানি পেঁয়াজ ৫৫-৬৫ টাকা, প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ মান ভেদে ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। রসুন কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা ও দেশি রসুন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি করেন বিক্রেতারা।

মাংসের বাজার ঘুরে দেখা যায়, বয়লার মুরগি ১৩০-১৪০ টাকা কেজি, পাকিস্তানি মুরগি ২৩০-২৪০ টাকা কেজি, দেশি মুরগি ৪০০- ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৫৭০-৫৮০ টাকা প্রতি কেজি, খাসির মাংস ৭৫০-৮০০ টাকা, বকরির মাংস ৭০০-৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com