বুধবার, ০১ Jul ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
জুলাই স্মরণে জামায়াতের ৩৬ দিনের কর্মসূচি অনলাইন বেটিংয়ে ৭ বছর জেল, ৫ কোটি টাকা জরিমানা হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা নিষেধ, গণমাধ্যমকে আদালতের নির্দেশনা মানতে হবে : তথ্য উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

একনেক সভায় উপস্থাপন করা হলে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটি ফিরিয়ে দেন

মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।

সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সংবাদ সম্মেলনে জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দেবে।

পরবর্তী জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় তদন্তের প্রতিবেদন দিতে হবে। আইএমইডি সচিবের নেতৃত্বে প্রতিবেদনটি তৈরির নির্দেশনা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, “কি কারণে প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি। এর আগেও ২০১৮ সালে এ প্রকল্পটি নিয়ে নির্দেশনা দিয়েছিলাম”। তিনি প্রকল্পের মেয়াদ এবং ব্যয় বাড়ানোর কারণ ও ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন।

জানা যায়, প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় স্বাস্থ্য সচিব ও পরিকল্পনামন্ত্রীকে কোন কথা বলার সুযোগ দেননি প্রধানমন্ত্রী। সচিব প্রকল্পের বিস্তারিত বলতে গেলে প্রধানমন্ত্রী থামিয়ে দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে না পারার পেছনে কারা কারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করে বিভাগীয় পর্যায়ে ব্যবস্থা নিতে হবে।

এই প্রকল্পের মূল অনুমোদিত ব্যয় ছিল ২৭৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। বাস্তবায়ন মেয়াদ ছিল জানুয়ারি ২০১২ থেকে ডিসেম্বর ২০১৪ সাল পর্যন্ত। কিন্তু গত আট বছরে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে পারেনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রকল্পটি প্রথম অনুমোদনের পর দুই দফা মেয়াদ বাড়িয়ে বাস্তবায়ন মেয়াদ ২০১৬ সাল পর্যন্ত করা হয়।

এরপর প্রথম সংশোধন করা হয়। প্রথম সংশোধনীর পরও প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়িয়ে ডিসেম্বর ২০২০ সাল পর্যন্ত করা হয়। মঙ্গলবার দ্বিতীয় সংশোধনের জন্য একনেক সভায় উপস্থাপন করা হলে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটি ফিরিয়ে দেন। গত আট বছরে প্রকল্পটির ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।

প্রস্তাবনায় দেখা যায়, চিকিৎসা শিক্ষার জন্য অবকাঠামো নির্মাণ করা, চিকিৎসক তৈরির মাধ্যমে চিকিৎসক এবং জনসাধারণের আনুপাতিক হার যৌক্তিক করা, চিকিৎসা শিক্ষাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা, প্রান্তিক জেলায় তৃণমূল জনসাধারণ পর্যায়ে চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা, চিকিৎসা শিক্ষার চাহিদা পূরণ করা, হাসপাতালকে ক্লিনিক্যাল এবং ব্যবহারিক পরীক্ষাগার হিসেবে মেডিকেল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উপযোগী করা, কুষ্টিয়া ও তার পার্শ্ববর্তী জেলার জনগণের জন্য আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা, উপযুক্ত এবং আধুনিক চিকিৎসা সুবিধার উপযোগী পরিকাঠামো তৈরি করা, বিশেষ পরিষেবা প্রদানের মাধ্যমে বিনামূল্যে কার্যকর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা, শিশু এবং মাতৃ-মৃত্যুর হার হ্রাস নিশ্চিত করা, চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে মানুষের আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি করা এবং ডাক্তার এবং অন্যান্য পেশার জনগণের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার জন্যই গ্রহণ করা হয়েছিলো প্রকল্পটি।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com