মঙ্গলবার, ৩০ Jun ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ন
মঙ্গলবার (১৫ জুন) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নির্মিতব্য খাদ্যগুদাম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথোপকথন কালে তিনি বলেন, ‘সার্বিক দিক চিন্তা করলে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। তবে আমাদের সততা নিয়ে প্রশ্ন আছে। ব্যবসায়ীরা সবাই যদি সৎ না হন, তাহলে দেশের ভাগ্য উন্নয়ন হয় না। প্রধানমন্ত্রী যে চেষ্টা করে যাচ্ছেন, তার সঙ্গে আমাদেরকেও সমপর্যায়ে কাজ করতে হবে। আমাদের ব্যবসায়ীরা যদি সৎ না হন, লাভ বেশি করতে চান, মানবতাবিরোধী কাজ করতে চান, তাদের বিচার আল্লাহ করবে।’
বিদেশ থেকে চাল আমদানি না হলে চালের কেজি একশ টাকা হতো মন্তব্য করে খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সরকার খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি ব্যবস্থাপনার আধুনিকরণ করছে। স্বল্পমূল্যে সার দেওয়া হচ্ছে, কীটনাশক দেয়া হচ্ছে, উন্নত গবেষণা হচ্ছে।’
এসময় মন্ত্রী চালকল মালিকদের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘এ বছর চুক্তি অনুযায়ী মিল মালিকরা চাল সরবরাহ না করতে পারলে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে ৩৫ লাখ টন খাদ্যশস্য মজুত রাখার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। গত কয়েকদিন আগে ৩৫টি ধানের সাইলো নির্মাণের বিষয়টি জাতীয় অর্থনীতি কমিটি-একনেকে পাস হয়েছে। এছাড়া বরিশাল-চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, খুলনা, নওগাঁ নতুন পাঁচটি বড় আকারের সাইলো নির্মাণ করা হবে। আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে পাঁচ লাখ মেট্রিকটন ধারণ ক্ষমতা নিয়ে কাজ করছে সরকার।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে আরও ছিলেন স্থানীয় মহিলা আসনের সংসদ সদস্য উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম, প্রকল্প পরিচালক রেজাউল করিম শেখ। পরে মন্ত্রী চলমান বোরো সংগ্রহ-২০২১ কার্যক্রম নিয়ে খাদ্য অধিদফতরের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন।