সোমবার, ২৯ Jun ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

বাহাত্তর বছরে পা রাখছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

১৯৪৭ এ পাকিস্তান জন্মের পর পরই পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্যে বাঙালির স্বপ্নভঙ্গ। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন রোজ গার্ডেনে জন্ম পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের। সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক। কারাগারে থাকা শেখ মুজিবুর রহমানকে যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

১৯৫২ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। পরের বছর নির্বাচিত হন সাধারণ সম্পাদক। ৬৬ সাল পর্যন্ত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বঙ্গবন্ধু।

জন্মের ৬ বছরের মাথায় অসাম্প্রদায়িক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে মুসলিম শব্দটি বাদ দেয়া হয়। ৫৭ সালে পররাষ্ট্র নীতি নিয়ে বিরোধে মওলানা ভাসানী দল ছাড়েন। ৬৬তে বঙ্গবন্ধু সভাপতি ও তাজউদ্দিন আহমেদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

লেখক ও গবেষক রওনক জাহান বলেন, সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি হবে, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে- দেখলেন সেগুলো কিছুই হচ্ছে না। এটা যখন দেখলেন তখনই তারা বুঝতে পারলেন যে মুসলিম লীগ না করে সাধারণ মানুষের জন্য আরেকটা রাজনৈতিক দল করা দরকার। সে জন্য তাঁরা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা করলেন।

৬৬তে বাঙালির বাঁচার দাবি ছয়দফা দেন বঙ্গবন্ধু। এক হয় সাড়ে সাত কোটি বাঙালি। ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে বাঙালি মুক্ত করে বঙ্গবন্ধুকে। ৭০-এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্টতা অর্জন করে। ক্ষমতা হস্তান্তরে পাকিস্তানিদের তালবাহানা। স্বাধীনতার ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু।

নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে আসে স্বাধীনতা।

বঙ্গবন্ধু যখন দেশ গড়ার পথে, ঠিক সেই সময়ে ৭৫-এর ১৫ই আগস্ট কালরাতে স্বপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় জাতির পিতাকে। আবারও উল্টোপথে বাংলাদেশ।

আওয়ামী লীগের ওপর নেমে আসে নির্যাতনের খড়গ। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা নির্বাসনে। কঠিন সময়ে দলের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন জোহরা তাজউদ্দিন। ৮১ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা। ফিরে আসেন দেশে।

ভোট-ভাতের অধিকার আদায়ে রাজপথে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ। শত নির্যাতনেও দমেনি দলটি। ৮১ সাল থেকে এ পর্যন্ত দলটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন আবদুর রাজ্জাক, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, জিল্লুর রহমান, আবদুল জলিল, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। আর টানা দ্বিতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ওবায়দুল কাদের।

রোজ গার্ডেন থেকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ পর্যন্ত দীর্ঘ পথ চলায় শুধুই সংগ্রাম আর ঐতিহ্যের গল্প।

রওনক জাহান আরও বলেন, শেখ হাসিনা দুটোই করতে পেরেছেন। বহুদিন তিনি অপজিশনে ছিলেন, ক্ষমতার বাইরে ছিলেন এবং নির্বাচন করে দলকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে পেরেছেন।

আওয়ামী লীগের হাত ধরেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে সমৃদ্ধির পথে। উন্নয়নের পথে হাঁটা আওয়ামী লীগের লক্ষ্য- উন্নত বাংলাদেশ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com