মঙ্গলবার, ৩০ Jun ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন
পণ্যে বৈচিত্র্য এনে রপ্তানি-নির্ভর প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অর্থনীতির সম্ভাবনা উন্মোচনে বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করতে বাংলাদেশকে নতুন দফার সংস্কার শুরু করতে হবে। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের এক নতুন রিপোর্টে এ কথা বলা হয়েছে।
ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) ও বিশ্বব্যাংক প্রণীত বাংলাদেশ কান্ট্রি প্রাইভেট সেক্টর ডায়গনস্টিক (সিপিএসডি) নামের এ রিপোর্টে বলা হয়েছে, পরবর্তী দশকে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার আকাঙ্খা পূরণে বাংলাদেশের এখন গতি পরিবর্তনের সময়। আর এ জন্য একটি আধুনিক, বৈচিত্র্যধর্মী ও প্রাণবন্ত বেসরকারি খাত গড়ে তুলতে বিভিন্ন আইন-কানুন ও নীতির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনতে হবে। রিপোর্টটি বুধবার ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, ‘কোভিড-১৯ অতিমারির প্রতিকূল প্রভাব সত্ত্বেও বাংলাদেশ গত বছর ইতিবাচক জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে এবং বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ যে মন্দার কবলে পড়েনি। আমরা কোভিড-১৯ অতিমারির সমস্ত চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় রেখে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি।’ তিনি বলেন, ‘সিপিএসডি রিপোর্টের বিভিন্ন সুপারিশ ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথে যেতে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’
আইএফসির এশিয়া ও প্যাসিফিক ভাইস প্রেসিডেন্ট আলফনসো গার্সিয়া মোরা বলেন, ‘অতিমারি বাংলাদেশের ওপর কঠিন আঘাত হেনেছে এবং দেশটি কোভিড-১৯ থেকে উত্তরণের পর্যায়ে থাকায় সংস্কারের প্রয়োজনীতা আরও দৃঢ়ভাবে দেখা দিয়েছে। মজবুত আর্থিক খাতের সহায়তায় ইতোমধ্যে বাংলাদেশে বিনিয়োগের ৭০ শতাংশের বেশি বেসরকারি খাতের এবং এখন অর্থনীতির পুনরুদ্ধার ত্বরান্বিত করতে এ খাতের জোরালো ভূমিকা রাখার দরকার, যাতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও রপ্তানি বাড়ানোর পাশাপাশি গুণগত মানসম্পন্ন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে।’