বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০২:২৮ অপরাহ্ন

অর্থবছরের শুরুতেই ধাক্কা খেল রপ্তানি আয়

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যেও সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধিসহ অর্থনীতির কয়েকটি সূচক ইতিবাচক ছিল। তবে এবার অর্থবছরের শুরুতেই পিছিয়ে গেলো রপ্তানি আয়। জুলাইতে পণ্য রপ্তানি করে ৩৪৭ কোটি ডলার আয় হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ কম।

গত বছর জুলাইয়ে পণ্য রপ্তানি করে আয় হয় ৩৯১ কোটি ডলার। তাই বলা যায় অর্থবছরের শুরুতেই ধাক্কা খেলো রপ্তানি আয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের ছুটি এবং লকডাউনের প্রভাবেই মূলত কমেছে রপ্তানি আয়। জীবন-জীবিকার তাগিদেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্থনীতি চালুর পক্ষে ব্যবসায়ীরা।

জুলাই মাসে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য ছিল ৩৭২ কোটি ডলার।। এসময় রপ্তানি হয়েছে ৩৪৭ কোটি ডলার। সবচেয়ে বেশি আয় কমেছে রপ্তানি খাতের প্রধান উৎস তৈরি পোশাকে। ৩০০ কোটি ডলারের ওভেন ও নিট পণ্য রপ্তানির লক্ষ্য ছিল। কিন্তু রপ্তানি হয়েছে ২৮৮ কোটি ডলার।

রপ্তানি আয়ে ধস নামলেও জুলাইয়ে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে রপ্তানিবাহী কনটেইনার পরিবহনে রেকর্ড হয়েছিল। গত মাসের প্রথম ২৫ দিনে রপ্তানি পণ্যবাহী ৭১ হাজার ২৪৩ একক কনটেইনার পরিবহন হয়। তার আগের মাসে সেটি ছিল ৪৪ হাজার ৭৭৬ একক কনটেইনার। কনটেইনার পরিবহন ৫৯ শতাংশ বেশি হলেও রপ্তানি আয়ে তার প্রভাব নেই।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ছুটি ও লকডাউনের কারণে রপ্তানি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বন্দরে কন্টেইনার জটের কারণেও বিলম্বিত হয়েছে রপ্তানি।

তবে শিল্প কারখানা আবারো চালু হওয়ায় শিগগির পোশাক খাতে রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় ফিরবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এ জন্য জীবনের পাশাপাশি জীবিকাকে প্রাধান্য দেবার দাবি ব্যবসায়ীদের।

তৈরি পোশাকের বাইরে কৃষিপণ্য, হিমায়িত মৎস্য, হস্তশিল্প, পাটপণ্য সহ অধিকাংশ রপ্তানি পণ্যই রয়েছে নেতিবাচক ধারায়। তবে কিছুটা ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি চামড়া রপ্তানি খাতে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com