নগরকণ্ঠ ডেস্ক
- মঙ্গলবার ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ /
রাজশাহীর বাঘায় অসময়ে পদ্মার ভাঙনের মুখে পড়েছে চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়। পদ্মার ভাঙন থেকে মাত্র পাঁচ মিটার দূরে রয়েছে স্কুলটি। ইতিমধ্যে স্কুলের মাঠ ও চারটি টিনের ঘর পদ্মায় চলে গেছে। যেকোনো সময় পাকা ভবন পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
জানা যায়, চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯৭৮ সালে স্থাপিত হয়। এর মধ্যে ১৯৯৮ সালে, ২০১২ সালে ও ২০১৮ সালে স্কুলটিকে স্থানান্তর করা হয়। এবারও অসময়ে পদ্মার ভাঙনের কারণে স্থানান্তর করতে হবে। এ ছাড়া চকরাজাপুর চরের শতাধিক বাড়িঘর ও শত শত বিঘা জমিতে রোপণ করা আমবাগান, কুলবাগান, পেয়ারাবাগান, শাকসবজিসহ বিভিন্ন ফসলি পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক আবদুস সাত্তার বলেন, এই স্কুলে মোট শিক্ষার্থী রয়েছে ৫৩৭ জন। ভাঙতে ভাঙতে স্কুলের মাঠ পদ্মায় চলে গেছে। চার কক্ষের টিনের ঘর সরিয়ে নিয়েছি। এখন স্কুলের তিন কক্ষবিশিষ্ট পাকা ভবন ও টিনের আরো চারটি কক্ষ পদ্মার ভাঙন থেকে মাত্র পাঁচ মিটার দূরে অবস্থান করছে। বিষয়টি প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।
চকরাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ডিএম মনোয়ার বাবলু দেওয়ান বলেন, অসময়ে ভাঙনের কারণে চকরাজাপুর, কালিদাসখালী, লক্ষ্মীনগর মৌজার চিহ্ন হারিয়ে গেছে। বর্তমানে এগুলোর স্থান বলতে কিছু নেই। সম্পূর্ণটা নদীগর্ভে চলে গেছে। তবে স্কুলভবনটি স্থানান্তর না করলে অসময়ের ভাঙনে যেকোনো সময় তা নদীগর্ভে চলে যাবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আখতার বলেন, অসময়ে নদীভাঙন পরিদর্শন করেছি। পরিস্থিতি বুঝে স্কুলের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।