বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন
উত্তরাখণ্ডে টানেলে আটক ৪১ জন শ্রমিককে বের করে আনতে ব্যর্থ হয়েছে ড্রিল ও অন্যান্য আধুনিক মেশিন। এখন শাবল, গাঁইতি ও কোদালের ওপর ভরসা করছেন উদ্ধারকারীরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধসের শেষ প্রান্তে পৌঁছাতে উদ্ধারকারীদের আরো কিছু দিন লাগতে পারে। আজ শনিবার (২৫ নভেম্বর) এ খবর দিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা।
আগের দুইদিনের মতো গতকাল রাতেও থমকে যায় উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে উদ্ধার অভিযান। উদ্ধারকারী সংস্থা বলছে, ৫৭ মিটার ধসের বাধা সরাতে সরাতে অধিকাংশ পথই অতিক্রম করেছে খনন যন্ত্রগুলো। আর মাত্র কয়েক মিটার বাকি। কিন্তু সেই কয়েক মিটার খুঁড়তে গিয়েই বার বার হোঁচট খাচ্ছে অত্যাধুনিক খননযন্ত্র।
যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই গতকাল রাতে কাজ বন্ধ রাখা হয়। কারণ খনন এলাকায় আবার ফাটল দেখা দিয়েছে। তাই প্রাচীন যন্ত্রের দ্বারস্থ হয়ে ধীরে-সুস্থে কাজ করছেন কর্মীরা।
আজ সকালে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী বলেন, পরিস্থিতি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। শেষ পর্যায়ে অনেক বেশি সাবধান হতে হবে। অনেক বেশি দ্রুততার সঙ্গেও কাজ করতে হবে।
গত ১২ নভেম্বর উত্তরকাশী জেলার ব্রহ্মতাল-যমুনোত্রী জাতীয় সড়কের ওপর সিল্কিয়ারা ও ডন্ডালহগাঁওের মধ্যে নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গের একাংশ ধসে পড়ে। সুড়ঙ্গটি সাড়ে আট মিটার উঁচু ও প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার দীর্ঘ। ভাঙা সুড়ঙ্গের ভেতরেই প্রায় ৬০০ মিটার ধ্বংসস্তূপের পেছনে আটকে পড়েন সুড়ঙ্গে কর্মরত ৪১ জন কর্মী। সেই ঘটনার ১৪ দিন পেরিয়ে গেছে এরই মধ্যে।