শনিবার, ১১ Jul ২০২৬, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন

আন্তর্জাতিক

খামেনির শেষ বিদায়: চার মাস কীভাবে সংরক্ষণ করা হলো মরদেহ

তিনি বলেন, ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে শিয়া আইনে দাফন বিলম্বিত করা এবং শীতলীকরণের মাধ্যমে মরদেহ সংরক্ষণের অনুমতি রয়েছে। সর্বোচ্চ নেতার ক্ষেত্রে ধর্মীয় ছাড় পাওয়াও সহজ।   তার ভাষ্য, ইরানের ফরেনসিক মর্গে অনেক read more

ফ্রেঞ্চ ওপেনের শেষ আটে দেখা হবে নাদাল-জকোভিচের

আগামী ২২ মে থেকে শুরু হবে বছরের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফ্রেঞ্চ ওপেন

read more

পাম তেল রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে ইন্দোনেশিয়া

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডো বৃহস্পতিবার বলেছেন, আগামী সপ্তাহে পাম তেল রপ্তানির উপর

read more

রাশিয়া থেকে এস-৪০০ ও ইজকান্দার ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয় বেলারুশের

বেলারুশের শক্তিশালী নেতা আলেকজান্ডার লুকাশেনকো বৃহস্পতিবার বলেছেন, তার দেশ রাশিয়ার কাছ থেকে

read more

ইউক্রেনের জন্য ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের ন্যাটোর ঐতিহাসিক সদস্যপদ লাভের উদ্যোগে জো বাইডেনের সমর্থন জোরদারের

read more

ভয়াবহ বৈশ্বিক খাদ্যসংকটের আশঙ্কা জাতিসংঘের

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের কারণে সামনের মাসগুলোতে বৈশ্বিক খাদ্য সংকট তৈরি হতে পারে

read more

অনুসন্ধান শেষে নাসার ইনসাইট ল্যান্ডার চলতি গ্রীষ্মে অবসর নিতে যাচ্ছে

প্রায় চার বছর ধরে মঙ্গলের মাটিতে এর গঠন প্রকৃতি নিয়ে অনুসন্ধান শেষে

read more

থমকে গেছে ইউক্রেন-রাশিয়া শান্তি আলোচনা

গত কয়েক মাস ধরে ইউক্রেন ও রাশিয়ার প্রতিনিধিদের মধ্যে শান্তি আলোচনা চলছিল।

read more

বিশ্বে কৃশকায় শিশুর সংখ্যা বাড়ছে: ইউনিসেফ

মঙ্গলবার (১৭ মে) প্রকাশিত শিশুদের অবস্থা নিয়ে নতুন এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে ইউনিসেফ। ‘কৃশকায় অবস্থা: শিশুদের বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে একটি উপেক্ষিত জরুরি অবস্থা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, শিশুদের মধ্যে কৃশকায় পরিস্থিতির মাত্রা বৃদ্ধি এবং জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসার জন্য ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পরও রুগ্ন শিশুদের জীবন বাঁচানোর জন্য বৈশ্বিক অর্থায়ন বর্তমানে হুমকির মুখে। এ বিষয়ে ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল বলেন, ইউক্রেনের যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে। তবে এর আগেই সংঘাত, জলবায়ুজনিত অভিঘাত ও কোভিড-১৯ পরিস্থিতি পরিবারগুলোকে তাদের সন্তানদের খাদ্য জোগানের মূলে আঘাত করেছে। বিশ্ব দ্রুত প্রতিরোধযোগ্য শিশুমৃত্যু এবং কৃশকায় শিশুদের একটি ভার্চুয়াল টিন্ডারবক্সে পরিণত হচ্ছে। বর্তমানে অন্তত এক কোটি শিশু বা প্রতি তিনজনে দুজন শিশু কৃশকায়। কিন্তু তারা এক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা হিসেবে পরিচিত তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহারযোগ্য থেরাপিউটিক খাদ্য (আরইউটিএফ) পায় না। ইউনিসেফ সতর্ক করে বলছে, বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তায় ইউক্রেনের যুদ্ধের প্রভাব, মহামারির ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে ভুগতে থাকা দেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কিছু দেশে ক্রমাগত খরা পরিস্থিতির মতো বৈশ্বিক অভিঘাত সম্মিলিতভাবে বৈশ্বিক পর্যায়ে শিশুদের মধ্যে কৃশকায়তা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করছে। এদিকে, কাঁচামালের দাম উল্লেখযোগ্যহারে বৃদ্ধির কারণে আগামী ছয় মাসে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহারযোগ্য থেরাপিউটিক খাদ্য বা রেডি-টু-ইউজ থেরাপিউটিক ফুডের দাম ১৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি ব্যয়ের বর্তমান মাত্রা বিবেচনায় জীবন রক্ষাকারী এই চিকিৎসা না পাওয়া শিশুর সংখ্যা আরও ছয় লাখ বাড়িয়ে দিতে পারে। পরিবহন ও সরবরাহ খরচও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব বিষয়ে ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক বলেন, প্রতিবছর লাখ লাখ শিশুর জন্য এই থেরাপিউটিক পেস্টের প্যাকেটগুলো জীবন ও মৃত্যুর মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করে। বৈশ্বিক খাদ্যের বাজারের পরিপ্রেক্ষিতে ১৬ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি সামাল দেওয়া সম্ভব বলে মনে হতে পারে। কিন্তু সেই সরবরাহ শৃঙ্খলের শেষ ভাগে আছে নিদারুণ অপুষ্টিতে ভোগা শিশুরা। যাদের জন্য বিষয়টি সামাল দেওয়া একেবারেই সম্ভব নয়। কৃশকায় শিশুরা তাদের উচ্চতার তুলনায় খুব বেশি শীর্ণ হয়ে থাকে। যার ফলে তাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। এটি অপুষ্টির সবচেয়ে তাৎক্ষণিক, দৃশ্যমান ও মৃত্যুঝুঁকি তৈরির ধরন। বিশ্বব্যাপী পাঁচ বছরের কম বয়সী অন্তত এক কোটি ৩৬ লাখ শিশু কৃশকায় অবস্থার শিকার। যার কারণে এই বয়সী শিশুদের প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন মারা যায়। দক্ষিণ এশিয়া কৃশকায়তার ‘কেন্দ্র’ হিসেবে রয়ে গেছে, যেখানে প্রতি ২২ জনের মধ্যে একজন শিশু কৃশকায়, যা সাব-সাহারা আফ্রিকার তুলনায় তিনগুণ। আর বাকি বিশ্বের দেশগুলো ঐতিহাসিকভাবে উচ্চ হারে কৃশকায়তার সম্মুখীন হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, আফগানিস্তানে ১১ লাখ শিশু এই বছর কৃশকায়তার শিকার হবে বলে আশংকা করা হচ্ছে, যা ২০১৮ সালের প্রায় দ্বিগুণ। শিশুদের অবস্থা নিয়ে সতর্কবার্তায় ইউনিসেফ আরও উল্লেখ করেছে, তুলনামূলকভাবে উগান্ডার মতো স্থিতিশীল দেশগুলোতেও ২০১৬ সাল থেকে কৃশকায় শিশুর সংখ্যা ৪০ শতাংশ বা তার বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, কৃশকায় শিশুদের চিকিৎসায় প্রাপ্ত সহায়তা অত্যন্ত নিম্ন পর্যায়ে রয়ে গেছে। আগামী বছরগুলোতে এটি আরও কমবে বলে ধারণা করা হয়। ২০২৮ সালের আগে প্রাক-মহামারি পর্যায়ে পুনরুদ্ধারের আশাও খুব ক্ষীণ। সংক্ষিপ্ত একটি নতুন বিশ্লেষণ অনুসারে, বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য খাত ওডিএ’র (অফিসিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্স) মাত্র ২ দশমিক ৮ শতাংশ এবং মোট ওডিএ’র মাত্র শূন্য দশমিক ২ শতাংশ ব্যয় হয় কৃশকায় শিশুদের চিকিৎসায়। কৃশকায় এসব শিশুদের চিকিৎসাসেবা প্রদানের লক্ষ্যে ইউনিসেফ কিছু আহ্বান জানিয়েছে। সেগুলো হলো- বেশি সংখ্যক কৃশকায় শিশু থাকা শীর্ষ ২৩টি দেশের এই অসুস্থ শিশুদের কাছে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে হবে। এ জন্য ওইসব দেশের সরকারকে ২০১৯ সালের ওডিএ’র চেয়ে অন্তত ৫৯ শতাংশ বেশি সহায়তা প্রদান করতে হবে।

read more

আবারও ফুঁসে উঠছেন পাঞ্জাবের কৃষকেরা, চণ্ডীগড়মুখী যাত্রা

আবারও ফুঁসে উঠেছেন ভারতের অন্যতম বৃহৎ প্রদেশ পাঞ্জাবের কৃষকেরা। মঙ্গলবার চণ্ডীগড়-মোহালী সীমান্তের

read more

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, দোনবাসে নিহত ৭

ইউক্রেন-রাশিয়ার চলমান যুদ্ধ পোল্যান্ড সীমান্তবর্তী শহর লভিভ, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সামি এবং চেরনিহিভে রুশ

read more

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com