মঙ্গলবার, ২৮ Jul ২০২৬, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া সেই ৩২ ডিসি কারা ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে কার্যকর হচ্ছে নতুন নির্দেশনা দেশীয় ভেন্টিলেটর ও অক্সিজেন মেশিন তৈরিকারকদের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর আহত জুলাইযোদ্ধা সুজনের নবজাতক কন্যার জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনে কোনো বাধা নেই: সিইসি বঙ্গভবনে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু সাবেক এমপি সাইফুলসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ চার দিনেও জানা যায়নি কারণ গ্যাস সরবরাহ চালু অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারের নবনিযুক্ত চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎ অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে ছিটকেই গেলেন নাহিদ

রাজাকারের তালিকায় ‘ভুল’ কীভাবে, অনুসন্ধান হবে: হাছান মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : রাজাকারের তালিকায় থাকা ‘ভুল’ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘কিছু ভুল রয়েছে, যা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী নিজেও বলেছেন এবং ভুলগুলো অবশ্যই শুধরে নেয়ার সুযোগ আছে। তবে এ ভুলগুলো কেন কীভাবে হল, প্রশাসনের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা কেউ করেছে কিনা তা অনুসন্ধান করে বের করা হবে।’

আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দলের প্রচার উপকমিটির সভার শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

‘স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর রাজাকারের তালিকা কেন’- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের বিষয়ে ড. হাছান বলেন, মির্জা ফখরুল সাহেব তার এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে রাজাকারদের পক্ষ নিয়েছেন। আমরা এতদিন ধরে বলে আসছি, বিএনপি স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং তাদের দলের চেয়ারপারসন পাকিস্তানিদের দোসর ছিলেন। তাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানও মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মাবরণে পাকিস্তানের গুপ্তচর হিসেবে কাজ করেছেন। আজ রাজাকারের তালিকা প্রকাশের পর মির্জা ফখরুল সাহেব তার বক্তব্যে রাজাকারদের পক্ষ নিয়ে নিজেদের মুখোশই উন্মোচন করেছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাজাকারের তালিকা প্রকাশের পর দেখা যাচ্ছে, রাজাকারদের যারা আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে, তারা বিএনপি ও তাদের সহযোগী। সেজন্যই এ তালিকা প্রকাশে তাদের এত গাত্রদাহ।

আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন প্রসঙ্গে দলের প্রচার সম্পাদক বলেন, জাতীয় সম্মেলনের তথ্যাদি council.albd.org এই ওয়েবসাইটে সন্নিবেশিত রয়েছে। এ সম্মেলন সামনে রেখে প্রচার উপকমিটির প্রত্যেক সদস্য আন্তরিক কাজের মাধ্যমে যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, তা সম্পন্ন হয়ে এসেছে। প্রত্যেক ডেলিগেটের জন্য যে পাটের ব্যাগ দেয়া হবে, সেখানে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি-বক্তৃতার কপিসহ ফোল্ডার, লাল-সবুজ ক্যাপ, পানির বোতল এবং ডায়াবেটিকদের দিকে লক্ষ্য রেখে দুটি লজেন্সও থাকবে।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির সভাপতি এইচটি ইমাম বলেন, অত্যন্ত কর্মতৎপর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটি দলের জন্য অনন্য ভ‚মিকা রেখে চলেছে। গণমাধ্যম আমাদের সঙ্গে থাকবে বলে আমরা আশা করি।

পরে এইচটি ইমামের সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, আওয়ামী লীগের উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক প্রচার সম্পাদক আকতার হোসেন, উপকমিটির সদদ্য বলরাম পোদ্দার, সানজীদা খানম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com