শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
এপস্টিনের সঙ্গে ইসরায়েলি ডিপ স্টেট ও মার্কিন গোয়েন্দাদের যোগসূত্র ছিল : ভ্যান্স যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে পাকিস্তানের জড়িয়ে পড়ার শঙ্কা হামলার শঙ্কায় কুয়েতে ফ্লাইটের সময়সূচি পরিবর্তন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-মহাসড়ক দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ অর্থ পাচার না হলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যেত : প্রধানমন্ত্রী ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, ৮ অঞ্চলের নদীবন্দরে সতর্কতা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ভাতা বেড়েছে চার ক্যাটাগরি মুক্তিযোদ্ধাদের বিমানের বহরে যুক্ত হবে বোয়িং ও এয়ারবাস মন্ত্রিসভায় ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত

সরিষার বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলা যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়ায় মাঠের পর মাঠ সরিষা চাষ হয়েছে। দিগন্তজোড়া মাঠের চারদিকে শুধু হলুদের ছোয়া। কৃষক ও সংশ্লিষ্ট অফিস এ অঞ্চলে সরিষা চাষে বাম্পার ফলনের আশা করছেন।

দেশের ঋতু পরিক্রমায় হেমন্ত ও শীতে সরিষার চাষ হয় থাকে। এখানকার চাষ হওয়া সরিষা দেশের মোট চাহিদার বড় একটি অংশ পূরণে ভূমিকা রাখে।

এ অঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মাঠের পর মাঠ সরিষা ফুলের অপূর্ব হলুদের শোভা, চোখ জুড়ানো দৃশ্য আর মন মাতানো গন্ধে প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। ঠিক তেমনি অর্থনৈতিক সচ্ছলতার হলুদ স্বপ্নে বিভোর এ অঞ্চলের কৃষকরা।

চলতি মৌসুমে এ অঞ্চলের ছয় জেলায় সরিষা আবাদের মোট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৩ হাজার ৯৯৬ হেক্টর জমি। চাষ হয়েছে ৪৯ হাজার ৫৮৭ হেক্টর জমিতে। আরো কিছু জমিতে চাষ হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। গেল মৌসুমে এসব জেলায় সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৩ হাজার ৮২২ হেক্টর জমি কিন্তু আবাদ হয়েছিল ৫১ হাজার ৪৪৬ হেক্টর জমিতে।

কৃষকরা জানিয়েছেন, আমন ধান ওঠার পর ইরি বোরো ধান রোপণের আগে জমি অলস পড়ে থাকে। এ সময়ে সরিষা চাষ করা হয়। ফলে একদিকে যেমন তেলের চাহিদা মিটিয়ে অর্থনৈতিকভাব লাভবান হয়, অন্যদিকে জমিতে জৈব সারের ঘাটতি পূরণে বিরাট ভূমিকা রাখে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোর আঞ্চলিক অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর যশোর জেলায় সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১৫ হাজার হেক্টর, এখন পর্যন্ত আবাদ হয়েছে ১৪ হাজার ৭১০ হেক্টর জমিতে। ঝিনাইদহের লক্ষ্যমাত্রা ১০ হাজার ২০০ হেক্টর, আবাদ হয়েছে ৯ হাজার ২২৫ হেক্টর জমিতে। মাগুরায় লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১৩ হাজার ৩৫০ হেক্টর, আবাদ হয়েছে ১২ হাজার ৭১০ হেক্টর জমিতে। কুষ্টিয়ায় লক্ষ্যমাত্রা ৭ হাজার ৬০০ হেক্টর, আবাদ হয়েছে ৭ হাজার ৩৫০ হেক্টর। চুয়াডাঙ্গায় সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ২ হাজার ৮৯৬ হেক্টর, আবাদ হয়েছে ১ হাজার ৬৭৭ হেক্টর জমিতে। এ ছাড়া মেহেরপুর জেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ হাজার ৯৫০ হেক্টর কিন্তু চাষ হয়েছে ৩ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com