শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
এপস্টিনের সঙ্গে ইসরায়েলি ডিপ স্টেট ও মার্কিন গোয়েন্দাদের যোগসূত্র ছিল : ভ্যান্স যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে পাকিস্তানের জড়িয়ে পড়ার শঙ্কা হামলার শঙ্কায় কুয়েতে ফ্লাইটের সময়সূচি পরিবর্তন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-মহাসড়ক দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ অর্থ পাচার না হলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যেত : প্রধানমন্ত্রী ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, ৮ অঞ্চলের নদীবন্দরে সতর্কতা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ভাতা বেড়েছে চার ক্যাটাগরি মুক্তিযোদ্ধাদের বিমানের বহরে যুক্ত হবে বোয়িং ও এয়ারবাস মন্ত্রিসভায় ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত

বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ে সীমান্ত সম্মেলন শুরু

মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার বিকেল ৩টায় ভারতের গৌহাটিতে (২২-২৬ ডিসেম্বর) ৫ দিনব্যাপী এ আনুষ্ঠানিক বৈঠক আজ  শুরু হয়েছে। বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণও প্রতিনিধিত্ব করছেন বৈঠকে। অপরদিকে বিএসএফ মহাপরিচালক রাকেশ আস্থানার নেতৃত্বে ১২ সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন। বিএসএফ সদর দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, ফ্রন্টিয়ার আইজিগণ এবং ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দও অংশ নিচ্ছেন।

এবারের সম্মেলনে যে বিষয়গুলো আলোচনায় প্রাধান্য পাবে সেগুলো হলো:

১. সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো ও আহত/হত্যা করা সম্পর্কে প্রতিবাদ জানানো এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে করনীয়।

২. ভারত থেকে বাংলাদেশে ইয়াবা, ফেন্সিডিল, মদ, গাঁজা, হেরোইন এবং ভায়াগ্রা/সেনেগ্রাসহ বিভিন্ন প্রকার অবৈধ মাদকদ্রব্যের চোরাচালান রোধ। এছাড়া ভারতের অভ্যন্তরে ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন নেশাজাতীয় দ্রব্য/মাদকদ্রব্যের কারখানা/গুদাম এবং মাদকের চোরাচালান রোধ, মাদক পাচারকারীদের সম্পর্কিত তথ্য বিনিময়।

৩. ভারত থেকে বাংলাদেশে অস্ত্র ও গোলাবারুদ চোরাচালান রোধ এবং অস্ত্র চোরাচালান রোধে অস্ত্র ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে তথ্য বিনিময়।

৪. বিএসএফ এবং ভারতীয় নাগরিক কর্তৃক সীমানা লংঘন/অবৈধ পারাপার/অনুপ্রবেশ রোধ।

৫. সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে ভারত কর্তৃক অনুমোদনহীন উন্নয়নমূলক নির্মাণ কাজ না করা এবং বন্ধ থাকা বাংলাদেশের অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজ যত দ্রুত সম্ভব সমাধান করা।

৬. উভয় দেশের সীমান্ত এলাকায় নদীর তীর সংরক্ষণ কাজ বাস্তবায়ন।

৭. রাজশাহী সীমান্তের চর মাজারদিয়া ও চর খানপুর এলাকার স্থানীয় জনসাধারণের চলাচলের সুবিধার্থে পদ্মা নদীর ভারতীয় অংশ ব্যবহারের অনুমতি নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা।

৮. ভারতীয় সীমান্তের অভ্যন্তরে সশস্ত্র সন্ত্রাসী ও আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সম্ভাব্য অবস্থান ও তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা সম্পর্কিত তথ্য বিনিময়।

৯. সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং সীমান্ত সম্পর্কিত সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য ‘কার্যকর সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা’ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন।

১০. পারস্পারিক আস্থা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ।

আগামী শুক্রবার (২৫ ডিসেম্বর) সীমান্ত সম্মেলনের ‘যৌথ আলোচনার দলিল’ স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হবে। সম্মেলন শেষে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল পরদিন শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) দেশে ফিরবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com