শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন
পাথর কোয়ারি খুলে দেয়ার দাবিতে পরিবহণ ধর্মঘটে দু’দিন ধরে সিলেট নগরীর শিববাড়ী সড়কে আটকে আছে শতশত পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান। শীতকালীন সবজি, ফলমূল আর নিত্যপণ্য নিয়ে বিশাল ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা।
এদিকে গ্রিল লাগানোর নির্দেশনার প্রতিবাদে একদিন বেড়েছে সিএনজি অটোরিকশা চালকদের ধর্মঘটও। উপায় না পেয়ে ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেলে দূরের গন্তব্যে ছুটেছেন অনেকে। এই সুযোগে বাড়তি ভাড়া হাঁকিয়ে নিচ্ছেন চালকরা।
ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, পণ্যবাহী ট্রাক আটকে থাকায় প্রতিদিন কোটি টাকার লোকসান হচ্ছে। পচনশীল যেসব পণ্য আছে সেগুলো বেশিরভাগই পচে যাচ্ছে। আমরা ভ্যানের মাধ্যমে কিছু মাল আনতে পেরেছি। আমরা তাদের দাবি জানাচ্ছি পচনশীল পণ্যগুলো যাতে তারা ছেড়ে দেয়। ট্রাক আটকে রেখে চাঁদাবাজির অভিযোগও করেছেন তারা।
এতো ভোগান্তি সত্ত্বেও নিজেদের অবস্থানে অনড় ধর্মঘট আহ্বানকারীরা।
সিলেট বাংলাদেশ পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামসুল হক মানিক বলেন, আমরা সিলেটের কোন লোকাল রোড এবং সিলেট-হবিগঞ্জ এবং মৌলভীবাজার রোডে কোন বিআরটিসির কোন বাস চলতে দিব না। এটা আমাদের চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত। আমাদেরকে জেলে যেতে হলেও আমরা যাবো।
ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি জুবায়ের ইসলাম জুবের বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত প্রশাসনের কাছ থেকে কোন আশ্বাস পাইনি। তাই আমরা আমাদের অবস্থানে অনড় রয়েছি।
পাথর উত্তোলন ইস্যুতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকেরা।