শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ন
স্বাস্থ্যবিষয়ক সাময়িকী ল্যানসেটে প্রকাশিত এক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ফাইজার ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার দুটি ডোজ নেওয়ার ছয় সপ্তাহের মধ্যেই শরীরে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডির মাত্রা কমা শুরু হতে পারে। আর ১০ সপ্তাহের মধ্যে তা ৫০ শতাংশ কমে যেতে পারে বলেও গবেষণায় উঠে এসেছে।
ব্রিটেনের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউএলসি) বিজ্ঞানীরা এই গবেষণাটি করেছেন।
তাদের দাবি, যদি অ্যান্টিবডির মাত্রা এভাবে কমতে থাকে, তবে টিকার সুরক্ষা প্রভাবও হ্রাস পাওয়া শুরু করবে। বিশেষ করে নতুন ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রে এই আশঙ্কা বেশি দেখা দেবে। তবে এই সুরক্ষা কতটা দ্রুত কমতে পারে, তা নিয়ে কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করা যাচ্ছে না বলে দাবি করেন গবেষকেরা।
ইউএলসির ভাইরাস ওয়াচ গবেষণায় বলা হয়, ভারতে কোভিশিল্ড নামে পরিচিত অ্যাস্ট্রাজেনেকার দুটি ডোজের চেয়ে ফাইজারের দুই ডোজে অ্যান্টিবডির মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
এদিকে, ইউএলসি ইনস্টিটিউট অব হেলথ ইনফোরম্যাটিকসের মধুমিতা শ্রুতি বলেন, অ্যাস্ট্রাজেনেকা কিংবা ফাইজারের দুটি ডোজ নেওয়ার পর প্রাথমিকভাবে মানুষের অ্যান্টিবডির মাত্রা অনেক বেশি থাকে। করোনায় মারাত্মক অসুস্থতার ক্ষেত্রে মানুষ একারণেই খুব সুরক্ষিত থাকতে পারে এবং সেদিক থেকে পুরোপুরি টিকা নেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ।