বুধবার, ১৫ Jul ২০২৬, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন

ভারতে জানুয়ারিতে শুরু হতে পারে ওমিক্রন ঢেউ

এখনো করোনায় ভাইরাসে প্রতিদিন ভারতে মারা যাচ্ছে অনেক মানুষ। এবার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে ওমিক্রন। এর ফলে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে সেখানে বড় এক ওমিক্রন ঢেউ সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সিনিয়র একজন কর্মকর্তা।

তিনি অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছেন, তবে সংক্রমণ হতে পারে হালকা মাত্রার। এই ভাইরাসের মডেলিং পর্যালোচনার পর পূর্বাভাসে তিনি বলেছেন, তাই বলে প্যানিকড বা আতঙ্কিত হওয়া উচিত হবে না। এই ভাইরাস ‘এন্ডেমিসিটি’ পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে মনে হচ্ছে। তবে সংক্রমণ হবে অতি উচ্চ পর্যায়ের। কোনো ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করবে না। পক্ষান্তরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এই ভ্যারিয়েন্ট অপ্রত্যাশিত হারে ছড়িয়ে পড়ছে।

বর্তমানে তা ৭৭টি দেশে শনাক্ত করা হয়েছে। আরও অনেক দেশে এর অস্তিত্ব থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান ড. টেডরোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস।

ভারতীয় ওই কর্মকর্তা বলেছেন, এই বিস্তার নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমাদেরকে ওমিক্রন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য কাজ করতে হবে। ওমিক্রন নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সর্বশেষ ব্রিফে বলেছে, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে দ্রুত গতিতে এই ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ বছরের প্রথম দিকে বিশ্বজুড়ে করোনার দ্বিতীয় ও ভয়াবহ ঢেউ তোলে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। এখনও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এই ভ্যারিয়েন্টই বেশি।

ভারতে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে ওমিক্রন। এর ফলে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে সেখানে বড় এক ওমিক্রন ঢেউ সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সিনিয়র একজন কর্মকর্তা। তিনি অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছেন, তবে সংক্রমণ হতে পারে হালকা মাত্রার। এই ভাইরাসের মডেলিং পর্যালোচনার পর পূর্বাভাসে তিনি বলেছেন, তাই বলে প্যানিকড বা আতঙ্কিত হওয়া উচিত হবে না। এই ভাইরাস ‘এন্ডেমিসিটি’ পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে মনে হচ্ছে। তবে সংক্রমণ হবে অতি উচ্চ পর্যায়ের। কোনো ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করবে না। পক্ষান্তরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এই ভ্যারিয়েন্ট অপ্রত্যাশিত হারে ছড়িয়ে পড়ছে।

বর্তমানে তা ৭৭টি দেশে শনাক্ত করা হয়েছে। আরও অনেক দেশে এর অস্তিত্ব থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান ড. টেডরোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস।

ভারতীয় ওই কর্মকর্তা বলেছেন, এই বিস্তার নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমাদেরকে ওমিক্রন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য কাজ করতে হবে। ওমিক্রন নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সর্বশেষ ব্রিফে বলেছে, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে দ্রুত গতিতে এই ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ বছরের প্রথম দিকে বিশ্বজুড়ে করোনার দ্বিতীয় ও ভয়াবহ ঢেউ তোলে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। এখনও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এই ভ্যারিয়েন্টই বেশি।

ভারতীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মকর্তারা বলছেন, দু’এক মাসের মধ্যে ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে ওমিক্রন। আস্তে আস্তে তা ডেল্টাকে অতিক্রম করবে। সংক্রমণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর চাপ ফেলতে পারে। একজন কর্মকর্তা বলেছেন, এ অবস্থায় আমাদের লক্ষ্য হলো দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেয়া, যাতে ভয়াবহ সংক্রমণ এবং মৃত্যু থেকে জনগণকে রক্ষা করা যায়। এখন পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ থেকে যেসব ডাটা পাওয়া যাচ্ছে তাতে দেখা যাচ্ছে ওমিক্রন হালকা সংক্রমণ ও রোগ সৃষ্টি করছে। এমন অবস্থায় আমাদের জনগণের মধ্যে যারা খুব বেশি ঝুঁকিতে আছে তাদেরকে টিকা দিয়ে আমরা সুরক্ষিত রাখতে সক্ষম হবো। এ জন্যই উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com