মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে গাড়িবোমা হামলা, নিহত ১১ নেপালে বন্যার এক মাস : এখনও নিখোঁজ ৫ হাজারের বেশি মানুষ ঢাকায় জাসদ কার্যালয় থেকে আ. লীগ সন্দেহে ২৮০ জনকে আটক দায়িত্বে অবহেলা ও ফ্যাসিবাদীদের সহায়তা করলে কঠোর ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অবস্থানের মেয়াদ কিভাবে জানবেন, জানাল মার্কিন দূতাবাস অস্ট্রেলিয়াতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো অনেক বড় ব্যাপার: টাইগার বোলিং কোচ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী লুট-অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এসডিজি ও দেশের সম্মৃদ্ধি অর্জনের লক্ষে শিশুশ্রম নিরসনে সবাইকে কাজ করতে হবে

এসডিজি অর্জনে এবং দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে  ২০৩০ সালের মধ্যে  শিশুশ্রম নিরসনে ট্রেড ইউনিয়ন ও গণমাধ্যম কর্মীসহ সবাইকে  আরো বেশি সক্রিয় ভূমিকা রাখতে একযোগে  কাজ করতে হবে। দেশের শিশু শ্রম নিরসনে সরকারের পাশাপাশি সবাইকে আরো বেশি সোচ্চার হতে হবে।   আজ সকালে  ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি নসরুল হামিদ হলে “শিশু অধিকার- মানবাধিকার: শিশুশ্রম নিরসনে ট্রেড ইউনিয়ন ও গণমাধ্যমের  ভূমিকা” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় ট্রেড ইউনিয়ন ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এ এসব কথা বলেন।
ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন- বাংলাদেশ কাউন্সিল (আইটিইউসি- বিসি) ও  বাংলাদেশ লেবার রাইট্স সাংবাদিক ফোরাম  এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। আইটিইউসি- বিসি’র চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) সভাপতি ওমর ফারফ। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন  শ্রমিক নেতা সাকিল আখতার চৌধুরী। আলোচনায় অংশ নেন   লেবার রাইট্স সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি কাজী  আব্দুল হান্নান ও সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, শ্রমিক নেতা শহীদুল্লাহ বাদল ও জাহাঙ্গীর হোসেন  প্রমুখ।
মূল প্রবন্ধে বলা হয়, কোভিড-১৯ এর পরিণতিতে শিশুশ্রমের সংখ্যা বাড়ছে। শিশুশ্রম নিরসণে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশ আইএলও কনভেনশনÑ ১৩৮ এখনো অনুসমর্থন  করেনি। এর আলোকে আইনের পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। ২০১২ সালে সরকার কর্তৃক শিশুশ্রম নিরসনে একটি নীতিমালা প্রণীত হলেও নির্ধারিত ২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রম মুক্ত কর্মক্ষেত্র নিশ্চিত করার লক্ষ্য অর্জনে অগ্রগতি খুবই সামান্য। কর্মক্ষেত্রকে শিশুশ্রম মুক্ত রাখতে মালিক পক্ষের ভুমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা কোনোভাবেই এ দায় এড়াতে পারেন না। প্রকৃতপক্ষে সরকার, মালিক, শ্রমিক সকলকেই শিশুশ্রম নিরসনে এগিয়ে আসতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com