সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে গাড়িবোমা হামলা, নিহত ১১ নেপালে বন্যার এক মাস : এখনও নিখোঁজ ৫ হাজারের বেশি মানুষ ঢাকায় জাসদ কার্যালয় থেকে আ. লীগ সন্দেহে ২৮০ জনকে আটক দায়িত্বে অবহেলা ও ফ্যাসিবাদীদের সহায়তা করলে কঠোর ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অবস্থানের মেয়াদ কিভাবে জানবেন, জানাল মার্কিন দূতাবাস অস্ট্রেলিয়াতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো অনেক বড় ব্যাপার: টাইগার বোলিং কোচ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী লুট-অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পদ্মা সেতুর আদলে উদ্বোধনী মঞ্চ

আর দুদিন পরেই হতে চলেছে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পরে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাটে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাই এগারোটি পিলারের ওপর দশটি স্প্যান বসিয়ে পদ্মা সেতুর আদলেই তৈরি করা হয়েছে জনসভা মঞ্চ।

২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে ঐতিহাসিক রূপ দিতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জনসভা ঘিরে তিন বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে আলোকসজ্জার কাজ করছেন শ্রমিকরা। মঞ্চের চারপাশে নেওয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তত্ত্বাবধানে নির্মাণ করা হচ্ছে এই মঞ্চ। তারা অস্ত্র হাতে সার্বক্ষণিক স্পটে থাকছেন। এ ছাড়াও যেকোনও ধরনের নাশকতা এড়াতে গোয়েন্দা বাহিনীর কর্মকর্তারাও তৎপর রয়েছেন।

নিরাপত্তার জন্য মঞ্চের ভেতরে ও বাইরে বসানো হয়েছে ছয়টি ওয়াচ টাওয়ার। থাকবে দেড় শতাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা। র‌্যাব, পুলিশ, সেনা সদস্য, এসএসএফসহ নানা বাহিনীর তৎপরতায় এ এটি ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে রূপ নেবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনসভার মঞ্চ তৈরির কাজ করছে ক্যানভাস বাংলাদেশ ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট। প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নকর্মী কবির হোসেন জানান, ব্যতিক্রমী এই মঞ্চ তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। কয়েকদিন ধরে তারা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। অনেকটা সেতুর আদলেই তৈরি করা হবে উদ্বোধনী মঞ্চ। এ ছাড়াও কয়েক স্তরের নিরাপত্তা শেড থাকবে। মঞ্চের সামনে পানি থাকবে। তার ওপর ছোট-বড় বেশ কয়েকটি নৌকা ভাসতে থাকবে। এখন চলছে সাজসজ্জার কাজ। পুরো কাজের প্রায় ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে। শনিবারের আগেই কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।’

জনসভাস্থলের দুই বর্গকিলোমিটার জায়গা তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পেয়েছে পিয়ারু সরদার অ্যান্ড সন্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান। ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মোজ্জামেল হক বলেন, ‘সভাস্থলে ওয়াচ টাওয়ার, এলইডি মনিটরসহ নিরাপত্তাবিষয়ক সব ধরনের কাজ তারা শেষ করেছেন। স্মরণকালের সেরা আয়োজন হবে এখানে। জনসভায় আসা অতিথিদের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে।’

২৫ জুনের জনসভা সফল করতে বুধবার বিকালে জনসভাস্থলে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় অংশ নেন সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, জনসভার সমন্বয়ক মির্জা আজম এমপি, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হোসেন, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে নূর তাপস, যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন এমপি, সংসদ-সদস্য ইকবাল হোসেন অপু ও নাহিম রাজ্জাক, বিসিআইসির সাবেক সভাপতি ফজলে নাঈম, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন, সাহাবুদ্দিন ফরাজী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মেজবাহ উর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন, ছাত্রলীগের সভাপতি নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com