বুধবার, ২৪ Jun ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
বিশ্বের সবচেয়ে সব সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি হলো হলিউড। সেখানে নির্মাণ করা হয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাজেটের সিনেমা। যে সব সিনেমার বেশিরভাগই প্রযুক্তি নির্ভর। এক কথায় বলা চলে বিশ্বের সব সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে শাসক করে হলিউড। সেই হলিউডে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা।
জানা যায়, চিত্রনাট্যকারের আগেই ধর্মঘট করেছে। এবার সেই একই পথে হাটতে চলেছে অভিনেতাদের ইউনিয়ন।
মার্কিন সময় বুধবার (১২ জুলাই) রাতের মধ্যে আলোচনা সফল না হলে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ধর্মঘটের হুমকি দিয়েছে অভিনেতাদের ইউনিয়ন। আলোচনা শুরু হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা ফলপ্রসূ হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
হলিউডের অভিনেতা ইউনিয়নের নাম সোয়াগ-আফটা। প্রায় এক লাখ ৬০ হাজার অভিনেতা এর সাথে যুক্ত। একাধিক দাবি তাদের। বেতনবৃদ্ধ করতে হবে, অনলাইন স্ট্রিমিং সার্ভিসগুলোকে অভিনেতাদের বেশি টাকা দিতে হবে। সাধারণত কোনো ছবি বা সিরিয়াল যখন মার্কিন টেলিভিশনে দেখানো হয়, তখন সেই ছবির জনপ্রিয়তার উপর নির্ভর করে অভিনেতাদের বিশেষ ইনসেনটিভ দেয়া হয়। যা অভিনেতাদের রোজগারের একটি বড় জায়গা। অভিযোগ, অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলো কোন ছবি কেমন চলছে, তার নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেয় না। ইনসেনটিভও দেয়া হয়। ইউনিয়নের দাবি, স্ট্রিমিং সংস্থাগুলোকেও সেই ইনসেনটিভ দিতে হবে।
ইউনিয়নের অভিযোগ, এ বিষয়ে স্টুডিও কর্তৃপক্ষের সাথে তারা আলোচনার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু স্টুডিও কর্তৃপক্ষ তাদের কথা শোনেননি। তাছাড়া তারা খবর ফাঁস করে দিয়েছে বাইরে। তাই প্রশাসনিক কর্তাদের সাথে বৈঠক করতে চেয়েছে ইউনিয়ন। বুধবার রাতে সেই বৈঠক শুরু হয়েছে।
লেখকদের স্ট্রাইক
মে মাস থেকে হলিউডের লেখকেরা ধ্রমঘট শুরু করেন। সাড়ে ১১ হাজার লেখক এক সাথে ধর্মঘটে নেমেছেন। বেতনবৃদ্ধসহ একাধিক দাবি আছে তাদের। অভিনেতাদের বৈঠকে তাদের কথাও উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে। ১৯৬০ সালের পর হলিউডে এমন ধর্মঘট হয়নি। ধর্মঘট চলতে থাকলে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্র : ডয়চে ভেলে