রবিবার, ১২ Jul ২০২৬, ০৭:০৭ অপরাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে স্বামীকে নিয়ে ঢুকতে বাধা, বাকবিতণ্ডায় নুসরাত

বিনোদন ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডবে কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল একেবারে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। সেখানকার বিধ্বস্ত চিত্র দেখার জন্য গতকাল সকালে কলকাতায় এসেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

পরিদর্শন শেষে বসিরহাট কলেজে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিকে বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ ও অভিনেত্রী নুসরাত জাহান কলেজে গিয়ে নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। পরে সেখান থেকে অভিমান করে ফিরে আসেন তিনি। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হেলিকপ্টারে দীর্ঘ একঘণ্টার সফরে আম্ফান বিধ্বস্ত বাংলা পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার সফরসঙ্গী ছিলেন—পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এবং রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। ২৪ পরগনায় ঠিক কতটা ক্ষতি হয়েছে তা নিজ চোখে দেখেন মোদি। বসিরহাট কলেজের পেছনের মাঠে তৈরি করা হয় অস্থায়ী হেলিপ্যাড। সেখানেই মোদিকে স্বাগত জানাতে হাজির হন— কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, দেবশ্রী চৌধুরীসহ বিজেপি নেতারা। তারপর বসিরহাট কলেজেই বৈঠকে বসেন তারা। তখন কলেজে যান সাংসদ নুসরাত জাহান। তবে তিনি একা নন, সঙ্গে ছিলেন তার স্বামী নিখিল জৈন এবং দুই আপ্ত সহায়ক। কলেজে ঢোকার মুখে নুসরাতকে প্রথমে বাধা দেওয়া হয়। সাংসদ পরিচয় দেওয়ার পর প্রবেশের অনুমতি পান বলে জানা যায়। কিন্তু তার সঙ্গে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন নিখিল। তবে নুসরাতের স্বামী ও দুই আপ্ত সহায়ককে ভেতরে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয় না।

এসপিজির পক্ষ থেকে জানানো হয়—ভেতরে প্রশাসনিক বৈঠক চলছে। কোনো রাজনৈতিক দলের বৈঠক নয়। তাই সাংসদ অন্য কাউকে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবেন না। বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি নুসরাত। সেখানে বাকবিতণ্ডায় জড়ান তিনি। সর্বশেষ নিখিলকে প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ায় নুসরাত নিজেও সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন। নিজের কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী আসলেও তার সঙ্গে সাক্ষাৎ না হওয়ায় একপ্রকার অভিমান করেই ফিরে আসেন এই অভিনেত্রী।

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাতে দারুণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বসিরহাট। এখন পর্যন্ত সেখানে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরই মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন নুসরাত জাহান। স্থানীয় মানুষের সমস্যার কথাও শুনেছেন তিনি। এদিকে এক টুইটে নুসরাত জাহান লিখেছেন—এই দুঃসময়ে সবাইকে পরস্পরের পাশে থাকতে হবে। সবাই মিলে প্রার্থনা করতে হবে, যাতে দ্রুত এই বিপর্যয় কেটে যায়।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com