রবিবার, ১২ Jul ২০২৬, ০২:২৩ অপরাহ্ন

‘ইন্ডিয়ার এক বন্ধুর কাছ থেকে মৃত্যুর খবরটি শুনেছি’

বিনোদন ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে ব্যাপক ব্যবসাসফল সিনেমা ‘হঠাৎ বৃষ্টি’। এই সিনেমার মাধ্যমে জনপ্রিয়তা লাভ করেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস। ভারতের বর্ষীয়াণ চলচ্চিত্র পরিচালক বাসু চ্যাটার্জি নির্মাণ করেন এটি। ফেরদৌসের ক্যারিয়ারে এটি ছিল টার্নিং পয়েন্ট।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে মুম্বাইয়ের নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র নির্মাতা বাসু চ্যাটার্জি। এমন খবরে ভেঙে পড়েছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস।

ফেরদৌস বলেন, ‘করোনার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই ঘরবন্দি। প্রত্যেকদিন শুনতে হয় মৃত্যুর সংবাদ। আজ সকালে ঘুম ভাঙে এমন একটি মানুষের মৃত্যুর সংবাদে যার কাছ থেকে আমি অনেক পেয়েছি, শিখেছি। ইন্ডিয়ার এক বন্ধুর কাছ থেকে মৃত্যুর খবরটা জানতে পারি। খবরটা শুনে খুবই মর্মাহত হয়েছি। ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ শুধু আমার কাছে নয়, দুই বাংলার দর্শকদের কাছেও স্পেশাল।’

দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন বাসু চ্যাটার্জি।মুম্বাইয়ের সান্তাক্রুজ শ্মশানে বাসু চ্যাটার্জির শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে কারা হাজির থাকবেন, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

বাসু চ্যাটার্জি মুম্বাই থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক একটি ট্যাবলয়েডে অঙ্কনশিল্পী এবং কার্টুনিস্ট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। চলচ্চিত্র পরিচালনা শুরুর আগে রাজ কাপুর ও ওয়াহিদা রহমান অভিনীত ‘তিসরি কসম’ চলচ্চিত্রে বাসু ভট্টাচার্যর সহকারী হিসেবে কাজ করেন। চলচ্চিত্রটি ১৯৬৬ সালে জাতীয় পুরস্কার লাভ করে। বাসু চ্যাটার্জি পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘সারা আকাশ’ (১৯৬৯)। এর জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন এই পরিচালক।

‘ছোটি সি বাত’, ‘রজনীগন্ধা’, ‘বাতো বাতো মে’, ‘চামেলি কি শাদি’, ‘এক রুকা হুয়া ফয়সলা’, ‘কমলা কি মৌত’,-এর মতো অনেক দর্শকপ্রিয় বলিউড সিনেমা নির্মাণ করেছেন তিনি। পাশাপাশি ভারতীয় বাংলা সিনেমাও নির্মাণ করেন। তার নির্মিত ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ চলচ্চিত্রটি ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায়। এতে অভিনয় করেন বাংলাদেশের চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ ও ভারতের প্রিয়াঙ্কা ত্রিবেদী। মুক্তির পর সিনেমাটি দারুণ জনপ্রিয়তা পায়।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com