বৃহস্পতিবার, ১১ Jun ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
লাইফস্টাইল ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : দুধের গুণাগুণসমৃদ্ধ খাবার হচ্ছে বাটার মিল্ক। দুগ্ধজাত খাবার বাটার মিল্কে দুধের চেয়ে ফ্যাট কম। এই খাবারকে আমরা ঘোল বা লস্যি বলে থাকি।
দুধ হজম হতে যাদের সমস্যা, তারা প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, মিনারেল সমৃদ্ধ বাটার মিল্ক খেতে পারেন। এতে ল্যাকটিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি থাকায় তা হজম করাও সহজ।
বাটার মিল্কের স্বাস্থ্য উপকারিতা
১. দই ও দুধ খেতে যারা পছন্দ করেন না, তারা খেতে পারেন বাটার মিল্ক। এতে শরীরের প্রয়োজনীয় তরল, ক্যালরিও পেল, পুষ্টিও রয়েছে। ডায়াবেটিস রোগী যখন খাবেন, তখন চিনি মেশাবেন না।
২. বাটার মিল্ক হজমেও সাহায্য করে। অতিরিক্ত মসলা দিয়ে খাবার খাওয়ার বাটার মিল্ক খেতে পারেন। এতে হজমে ক্ষমতা বাড়বে।
৩. এতে ল্যাকটিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি থাকায়, তা ব্যাক্টেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে ও পেট পরিষ্কার রাখে।
৪. এই খাবার পেটে গ্যাসের সমস্যা দূর করে। যারা এই সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য এই পানীয় খুবই উপকারী।
৫. ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধেরও ক্ষমতা রয়েছে বাটার মিল্কে। শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করতে পারে এই পানীয়। গরমে র্যা শ, ঘামাচি ও শরীরের ক্লান্তি দূর করে এই খাবার। এ ছাড়া শরীর ঠাণ্ডা রাখে।
কীভাবে তৈরি করবেন
উপকরণ
১ কাপ টকদই, ২ কাপ ঠাণ্ডা পানি, একটি কাঁচামরিচ, সামান্য আদা, এক টেবিল চামচ কুচানো ধনিয়া পাতা, হাফ চা চামচ জিরা গুঁড়ো, স্বাদমতো বিট লবণ এবং লবণ ও সামান্য চাটমসলা।
প্রণালি
সব উপকরণ একসঙ্গে খুব ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। তার পর গ্লাসে ঢেলে ওপরে ধনিয়াপাতা বা পুদিনাপাতা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
নগরকন্ঠ.কম/এআর