বৃহস্পতিবার, ১১ Jun ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

ধূমপায়ীদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কেন বেশি

লাইফস্টাইল ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : করোনাভাইরাস শ্বাসনালীর মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করে। এই ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফুসফুস। ফলে দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট।

যারা ধূমপান করেন তাদের করোনা হলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়ে যায়। কারণ ধূমপানের ফলে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ হলে অধূমপায়ীদের তুলনায় ধূমপায়ীর অবস্থা জটিল হতে পারে প্রায় ১৪ গুণ।

এ বিষয়ে জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডা. আরেফিন খান বলেন, ধূমপায়ীদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে বেশি। কারণ ধূমপান করার ফলে যেমন তাদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। তেমনি শ্বাসের মাধ্যমে যে কোনো জীবাণু সহজে শ্বাসনালীতে প্রবেশ করতে পারে।

তিনি বলেন, একজন ধূমপায়ী যখন দোকান থেকে সিগারেট কিনে খান; তখন তিনি কোনো স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। কিনে খাওয়া সিগারেটের মাধ্যমে করোনা ছাড়াতে পারে।

এই বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ বলেন, যারা ধূমপান করেন তাদের শ্বাসে খুব সহজে যে কোনো ধরনের ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে। আর ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে সহজেই যে কোনো ভাইরাস ও রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

কী করবেন

শুধু যে করোনার কারণে ধূমপান ছাড়বেন বিষয়টি এমন নয়। সুস্থ থাকতে অবশ্যই ধূমপান ছাড়তে হবে। আর করোনার এই সময়ে যেহেতু আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি তাই ধূমপান ছাড়া জরুরি।
আর ধূমপান ছাড়লে তাৎক্ষণিক আপনর অস্বাভাবিক রক্তচাপ স্বাভাবিক হয়ে যাবে ও সতেজ হয়ে উঠবে আপনার হৃদযন্ত্র।

এছাড়া কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কমে যাবে রক্তে জমা কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ। আর মাত্র কয়েক দিনের ভেতরেই ফুসফুসের কার্যকারিতাও বাড়তে শুরু করবে।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com