শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

সবার প্রিয় ক্যাপসিকাম

লাইফস্টাইল ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : মরিচ যদি মিষ্টি হয়। তা কার না ভালো লাগে। ক্যাপসিকাম বা মিষ্টি মরিচ খাবারকে সুস্বাদু করতে জুড়ি নেই। পুষ্টিগুণ বিচারে পিছিয়ে নেই ক্যাপসিকাম। প্রতি ১০০ গ্রাম ক্যাপসিকামে রয়েছে ৮৬০ মিলিগ্রাম প্রোটিন, ৪.৬০ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১.৭০ মিলিগ্রাম হ্লে, ৮০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি এবং ৩৭০ আইইউ ভিটামিন এ।

এছাড়া রয়েছে সামান্য পরিমাণ ভিটামিন ই, ভিটামিন কে, ভিটামিন বি৬, থায়ামিন ও ফলিক এসিড। খনিজ উপাদানের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ফসফরাস, জিংক, কপার ইত্যাদি। ক্যাপসিকামে আছে ক্যাপসাইসিনস। যা ডিএনএর সঙ্গে যুক্ত হয়ে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদানের সঙ্গে সংযুক্ত হতে বাধা দেয়। ক্যাপসিকাম অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। আর ভিটামিন সি তো আছেই। ভিটামিন এ, বি, সি বিটা ক্যারোটিন আছে। যা দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে।

আমাদের দেশে ক্যাপসিকামের চাষ হচ্ছে। শখে ছাদে, বেলকোনিতে টবে ক্যাপসিকাম ফলানো সম্ভব। অক্টোবর, নভেম্বর এ গাছ রোপণের উপযুক্ত সময়। বিভিন্নভাবে এ গাছ রোপণের মাটি তৈরি করা যায়। ৫০ শতাংশ বাগানের মাটি, ২৫ শতাংশ বালি, ২৫ শতাংশ গোবর সার। সঙ্গে ১ চা চামচ ম্যাগনেসিয়াম সালফেট অথবা ৫০ শতাংশ সাধারণ মাটি, ২৫ শতাংশ কম্পোস, ২৫ শতাংশ গোবর সার। মাটি তৈরির সময় একবারে নিচের দিকে সবজির ফেলে দেয়া অংশ দেয়া যায়।

খুব বেশি পানি কিংবা খুব শুকনা মাটি কোনোটিই এরা পছন্দ করে না। গবেষণায় দেখা গেছে অতিরিক্ত পানি দেয়ার জন্য এ গাছের বেশি মৃত্যু হয়। ১৬ থেকে ২৫ ডিগ্রি তাপমাত্রায় এ গাছ ভালো হয়। অতিরিক্ত গরম পড়লে ফুল ঝরে যায়। মাইটস হলে অথবা সার কম বেশি দিলেও পাতা কুঁকড়ে যেতে পারে। ১৫ দিন পর পর সরিষার খৈল পচা পানি দিলে গাছের বৃদ্ধি ভালো হয়। আবার ১৫ দিন পরপর নিম কীটনাশক দিলে গাছ ভালো থাকে। ক্ষতিকারক পোকামাকড় আসতে পারে না।

সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত নিম কীটনাশক যেভাবে তৈরি করবেন। নিম পাতা, ডাল, ছাল কেটে তার মধ্যে সামান্য কাঁচা হলুদ, অল্প একটু কর্পূর দিয়ে পানিতে জাল দিতে হবে। চায়ের লিকারের মতো রং এলে রেখে দিন একদিন। এরপর বোতলে ভরে রাখলে অনেকদিন ব্যবহার করতে পারবেন। ১৫ দিনে একবার ১ লিটার পানিতে ২৫ মিলিমিটার দিলেই হবে।

ক্ষতিকারক পোকামাকড় গাছের ধারে কাছেও আসতে পারবে না। মাসে একবার ম্যাগনেসিয়াম সালফেট বা ইপসম সল্ট ব্যবহার করতে পারেন। গাছের পাতা হলুদ হয় ম্যাগনেসিয়াম সালফেটের অভাবে। যেটা পূরণ করবে ইপসম সল্ট স্পে।
নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com