শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৩:০৬ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

কাশির শব্দ জানাবে কোভিডের উপস্থিতি

লাইফস্টাইল ডেস্ক, নিউটার্ন.কম : মার্কিন গবেষকদের একটি দল করোনাভাইরাস চেনার বিশেষ প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করছেন। এ গবেষণা সফল হলে কাশি থেকেই কোভিড সংক্রমণ ধরা পড়বে৷

‘এআই’ বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি মানুষের জীবনের অনেক কিছুই খুব দ্রুত বদলে দিচ্ছে৷ ইতিমধ্যে এআই ব্যবহার করে স্মার্টফোনে গলার শব্দ দিয়ে বাসার আলো-পাখা থেকে রান্নাঘরের চুলা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে৷ এবার সেই প্রযুক্তিই ব্যবহৃত হবে কোভিড সংক্রমণের উপসর্গ শনাক্তের ক্ষেত্রেও।

গবেষকরা বলছেন, শিগগিরই আসতে পারে এমন অ্যাপ। ব্যবহারকারীর কাশির আওয়াজ শুনেই বলে দিতে পারবে তা কোভিড-সংক্রমণের লক্ষণ কিনা৷

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অh টেকনোলজির (এমআইটি) তিনজন গবেষক জর্ডি লুগার্তা, ফেরান হুয়েটো ও ব্রায়ান সুব্রিয়ানা এমন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন৷ এপ্রিল ও মে মাসে প্রায় ৫ হাজার ৩২০ জনের অডিও রেকর্ডিং জোগাড় করেন তারা৷ এর পর থেকেই নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে৷ কাশির আওয়াজের পাশাপাশি কথা বলার ধরনকেও পরীক্ষা করছেন তারা৷

প্রাথমিক ধাপের ফল তাদের কাছে আশাজনক মনে হয়েছে৷ এখন পর্যন্ত গবেষণার ফল আইইইই ওপেন জার্নাল অব ইঞ্জিনিয়ারিং-ইন মেডিসিন অ্যান্ড বায়োলজিতে প্রকাশ করেছেন তারা৷

সেখানে তারা বলেছেন, করোনা সংক্রমণের যে পরীক্ষা পদ্ধতিগুলো সোয়াব টেস্ট, তার সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, অডিও রেকর্ডিং পরীক্ষার এই নতুন মডেল প্রায় ৯৪ দশমিক ২ শতাংশ ক্ষেত্রেই সঠিক মূল্যায়ন করছে৷’

কিন্তু এসিম্পটোম্যাটিক বা উপসর্গহীন সংক্রমিতের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি ৮৩ দশমিক ২ শতাংশ ক্ষেত্রে সফল৷

গবেষকরা বলছেন, ১০০ শতাংশ নির্ভুল মডেলে পৌঁছতে তাদের আরও অনেক বেশি নমুনা সংগ্রহ করতে হবে৷ তবে নির্ভুল মডেলে পৌঁছলেও এ পদ্ধতি কখনই বর্তমানে প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতিকে পুরোপুরি অপ্রয়োজনীয় করে ফেলবে না৷ বরং এ পদ্ধতি মূল টেস্টের সহায়ক হিসেবেই কাজ করবে।

তথ্যসূত্র: ডয়েচে ভেলে।

নিউটার্ন.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com