শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
রোগীদের মধ্যে নারী, শিশু ও বয়স্কদের সংখ্যা বেশি। ঠাণ্ডায় নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে। হাসপাতালের ইনডোর ও আউটডোরে চলছে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম।
বহির্বিভাগে প্রতিদিন প্রায় ৩ থেকে ৪শ’ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। প্রতিদিন গড়ে ২০/৩০ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। এখন পর্যন্ত ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ৪০ জন শিশুর স্থলে আছে ৬৫ জন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মো. শওকত হোসেন জানান, ‘হাসপাতালে এন্টিবায়োটিক ও স্যালাইনসহ পর্যাপ্ত ওষুধ মজুদ রয়েছে। চিকিৎসকরা নিয়মিত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।’