বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৭:১২ অপরাহ্ন

প্রার্থী না হয়েও শুধু দলকে ভালবেসে নির্বাচনে পরিশ্রম করেছি আমি, দেব এবং নুসরত: মিমি

কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যর্থতা দেশ যেন বুঝেও বুঝছিল না। একা বাংলা আবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, দেশের কেন্দ্রীয় শক্তি একজোট হলেও নারীশক্তিকে দমানো এত সহজ নয়। তৃতীয় বারের জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের জয়কে আনন্দবাজার ডিজিটালের কাছে এই ভাবেই ব্যাখ্যা করলেন শাসকদলের সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। পরিশ্রম শেষে জয়ের স্বাদ পাওয়ার আনন্দ, উচ্ছ্বাস তাঁর গলায়। মিমির দাবি, ‘‘বাংলা আজ যা করে, ভারত আগামী কাল তা ভাবে। এই প্রবাদই আবার সত্যি করে দিলেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী।’’ একই সঙ্গে উড়ে এল তাঁর কটাক্ষ। কেন্দ্রের প্রথম সারির নেতা-মন্ত্রী, ক্রিকেটার, আমলা, প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা দেশের অন্য দায়িত্ব ভুলে, বাংলায় পড়ে থেকেছেন দিনের পর দিন। একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রীকে হারাতে! তাঁর আশ্বাস, কাল থেকে ‘দিদি’ অতিমারি রুখতে নিজে মাঠে নামবেন। বাংলা ফের করোনামুক্ত হবে।

এই নির্বাচনে প্রার্থী না হয়েও সাংসদ-তারকা দলের হয়ে বহু জায়গায় সভা, সমাবেশ করেছেন। প্রচারে বেরিয়ে কেমন সাড়া পেয়েছিলেন জনগণের থেকে? মিমির দাবি, যখনই যে জায়গায় পা রেখেছেন তিনি, মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাস দেখতে পেয়েছেন। শাসকদলের প্রতি কোথাও কোনও বিরূপ মনোভাব চোখে পড়েনি তাঁর। নিজের কথার স্বপক্ষে মিমির যুক্তি, ‘‘জলপাইগুড়িতে কোনও দিন তৃণমূল জিততে পারেনি। এবার সেটাও হল। মানুষের আলাদা আবেগ কাজ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে।’’ একই সঙ্গে তাঁর দাবি, তিনি ধূপগুড়িতে প্রচারে গিয়ে জানতে পারেন, সেখানকার বিজেপি সাংসদকে স্থানীয় মানুষেরা নাকি কখনও চোখেই দেখেননি! অথচ শাসকদলের বিধায়কেরা সব সময়ে সব জায়গায় দরকারে-অদরকারে পৌঁছে যান। মিমি বললেন, ‘‘আমি দলকে খুব ভালবাসি! আমার আলাদা কী স্বার্থ? আমি, দেব, নুসরত প্রার্থী না হয়েও যে ভাবে এই বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রচার করেছি, তার পিছনে স্বার্থ ছিল না।’’

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com