কানাডায় জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা ছিলো ২০২৩ সালে। কিন্তু আগস্টের মাঝামাঝি হঠাৎ করেই জাতীয় নির্বাচনের ডাক দিয়ে বসেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। করোনার মহামারির মধ্যেই এমন নির্বাচনের ডাক দেয়ায় নানামুখী সমালোচনার মুখে পড়তে হয় জাস্টিন ট্রুডোকে।
২০১৯ সালের কানাডার সবশেষ পার্লামেন্ট নির্বাচনে ৩৩৮ আসনের ১৫৫ টি পেয়ে কোয়ালিশন সরকার গঠন করেন জাস্টিন ট্রুডোর লিবারেল পার্টি। কিন্তু পার্লামেন্ট সংখ্যা গরিষ্ঠতা না থাকায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হচ্ছিলো তার সরকারের। আর তাই নিরুঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার আশায় এ নির্বাচনের ডাক দিলেন ট্রুডো।
এবারের নির্বাচনের মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ট্রুডোর লিবারেল পার্টি, এরিন ও’তুলের কনজারভেটিভ পার্টি ও জাগমিত সিংয়ের বামপন্থী-এনডিপির মধ্যে।
স্বাস্থ্য, আবাসন, চাইল্ড কেয়ার এবং জলবায়ুসহ কানাডার নাগরিকদের নিয়ে সব দলের নির্বাচনি ইশতিহার প্রায় একই।
লিবারেল পাটির ইশতিহার:
১. বাধ্যতামূলক টিকা প্রয়োগের মাধ্যমে করোনা মোকাবেলা
২. মধ্যবিত্তের জন্য বাড়ির ব্যবস্তা করা
৩. সাড়ে ৭ হাজারের বেশি নতুন ডাক্তার ও নার্স নিয়োগের মাধ্যমে চিকিৎসেবার উন্নয়ন
৪. মাসসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিনিয়োগ বাড়ানোসহ সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার
কনজারভেটিভের ইশতিহার
১. বিদ্যমান কার্বন ট্যাক্স বাতিল করা
২. স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা
এনডিপির ইশতিহার:
১. স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা
২. বিনামূল্যে চোখ, কান, দাঁত ও মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসার ব্যবস্থা
৩. অলাভজনক কেয়ারহোমের পরিধি বাড়ানো
কানাডায় জাতীয় নির্বচনে এবারই প্রথম সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত কানাডিয়ান, পার্থীতা পেয়েছেন। ২ নারীসহ ৮ বাংলাদেশি লড়ছেন পার্লামেন্ট যাওয়ার যুদ্ধে।
এরই মধ্যে নির্বাচনি প্রচারণায় পাথর নিক্ষেপ সহ নানা অপ্রীতিকর পরিস্থিতির শিকার হচ্ছেন বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় নেতা জাস্টিন ট্রুডো। যদিও এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি আগে হতে হয়নি ট্রুডোকে।
তবে সবশেষ নির্বাচনী জরিপ জাস্টিন ট্রুডোর জয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সর্বশেষ নির্বাচনি জরিপ (কানাডা মধ্যবর্তী জাতীয় নির্বাচন-২০২১)
জাস্টিন ট্রুডো- ৩২ শতাংশ
এরিন ও’তোলে- ২৯ শতাশ
জাগমিত সিং- ২১ শতাংশ


















