বৃহস্পতিবার, ০২ Jul ২০২৬, ০৬:২৮ অপরাহ্ন
প্রথম সিনেমা ‘ন ডরাই’য়ে অভিনয় করেই শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন সুনেরাহ বিনতে কামাল। এরপর খুব বেছে কাজ করছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও কাজের সুযোগ হয়েছিল। এই তারকার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ
ব্যস্ততা…
মনটা খুব খারাপ। তারপরও কাজের মধ্যে থেকে মন ভালো রাখার চেষ্টা করছি। অনেকে জানেন, অভিনয় শুরুর আগে থেকেই আমি ফ্যাশন হাউজ এক্সটেসিতে কাজ করতাম। আবারও সেখানে জয়েন করেছি। সামনে বেশ কিছু ক্যাম্পেইন ও ফটোশ্যুট আছে। এক্সটেসিতে আমার ফটোশ্যুটগুলো দর্শক-ভক্তরা এখনো মনে রেখেছেন। তাই এবার আমিও মডেল হিসেবে কাজ করব বলে ভেবেছি। এর বাইরে একটি ব্র্যান্ডের ইভেন্ট করব শিগগিরই। ব্র্যান্ডটি উইম্যান এমপাওয়ারমেন্ট নিয়ে কাজ করবে। আমিও যেহেতু এ কাজটি করে থাকি তাই তারা আমার সঙ্গে কোলাবরেশন করতে আগ্রহ দেখিয়েছে।
মন খারাপের কারণ…
ছয় মাস হয়ে গেল আমার পাসপোর্টটি আটকে আছে। মেয়াদ প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ায় সেটি নবায়ন করতে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিয়েছিলাম। কারণ আমার বেশ কিছু কাজের জন্য বিদেশে যাওয়ার কথা ছিল। একটি আন্তর্জাতিক প্রজেক্টে আমার কাস্টিং ৮০ ভাগ চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। শুধু সেখানে গিয়ে ছোট্ট একটু কাজ বাকি ছিল। কাজটি আমার দেশের জন্যই অন্য রকম গৌরব বয়ে আনত। কিন্তু অজানা কারণে আমি পাসপোর্টটা সময়মতো পেলাম না। বিষয়টি নিয়ে আমি তিন-চারবার পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছি। ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের সঙ্গে কথাও বলেছি। কিন্তু কোনো কাজই হলো না। শুধু একটি কাজ নয়, একাধিক কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলাম। এখনো একাধিক আন্তর্জাতিক কাজের স্ক্রিপ্ট আমার হাতে। কিন্তু মনটা এতই খারাপ যে পড়তে ইচ্ছে করছে না। দেখা গেল গল্প এতটাই ভালো লাগল যে পাসপোর্টের জন্য কাজটি করতে না পারায় মনটা আরও খারাপ হয়ে গেল।
অন্তর্জাল…
দীপংকর দীপন পরিচালিত ‘অন্তর্জাল’ সিনেমাটি খুবই আগ্রহ ও যতœ নিয়ে শুরু করেছিলাম। অনেকখানি শ্যুটিংও শেষ। দারুণ এক অভিজ্ঞতাও হয়েছে। এই সেটে যেভাবে কাজ করেছি তা আগে কখনোই করিনি। ছবির গল্প যেহেতু সাইবার ওয়ার্ল্ড নিয়ে, তাই আমাদের অভিনয় অনেক ক্ষেত্রে কোনো অবজেক্ট ছাড়াই করতে হতো। দেখা যাচ্ছে একই শট, একই পোশাক পরে দুদিন ধরে নানাভাবে দিতে হচ্ছে। একটু বিরক্ত লাগত, কিন্তু উপভোগও করতাম। অক্টোবরের পুরো সময়টা এই সিনেমার শ্যুটিং হয়ে শেষ হওয়ার কথা ছিল। এ জন্য দেশের একাধিক ভালো কাজের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু কোনো শ্যুটিংই হলো না। তাই মনটা আরও খারাপ হয়ে যায়। দেখি কবে আবার কাজ শুরু হয়।