বুধবার, ০১ Jul ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
জুলাই স্মরণে জামায়াতের ৩৬ দিনের কর্মসূচি অনলাইন বেটিংয়ে ৭ বছর জেল, ৫ কোটি টাকা জরিমানা হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা নিষেধ, গণমাধ্যমকে আদালতের নির্দেশনা মানতে হবে : তথ্য উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

মাহির শরীরে নতুন প্রাণের অস্তিত্ব?

মা হতে যাচ্ছেন মাহিয়া মাহি—শোবিজপাড়ায় এমনই গুঞ্জন। সম্প্রতি স্বামী রাকিব সরকারকে নিয়ে পবিত্র মক্কা নগরীতে ওমরাহ পালনে গিয়েছিলেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। ওমরাহ পালন শেষে সম্প্রতি তিনি দেশে ফিরেছেন। আর এর মধ্যেই ছড়াল এমন গুজব। কেন এই গুজব?

ফেসবুকে কিছু ছবি পোস্ট করেছেন মাহি। যেখানে দেখা গেছে তিনি একটি হাসপাতালে ভর্তি। পাশে আছেন স্বামী রাকিব। অপর একটি ছবিতে দেখা গেল মাহি শয্যাশায়ী। পাশেই নামাজ পড়ছেন রাকিব।

মাহি এই ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘এবং এখানে আমার নতুন বছরের ছবি, আলহামদুলিল্লাহ, রাকিব সরকার।’ এই ক্যাপশন অনেক প্রশ্ন তৈরি করেছে। তবে গতকাল সোমবার মাহি লিখেছেন,

এই বাক্যে একজনকে অনুভব করার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে, যাকে তিনি দেখতে পাচ্ছেন ঘুমাচ্ছে। যার বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায়, ‘এখনো আমি সেই স্পর্শ অনুভব করতে পারি, আমি দেখতে পাচ্ছি তুমি ঘুমাচ্ছ…’

নেটিজেনরা বলছেন, এই অনুভূতি সচরাচর আসে না, নতুন প্রাণের অস্তিত্ব টের পাওয়ার পরই এমন অনুভূতি প্রকাশ করেন। নেটিজেনরা যা-ই বলুক না কেন, অন্তত মাহিয়া মাহির মুখ থেকে আসলটা জানা তো দরকার। মাহিকে ফোন করা হলে তিনি মা হওয়ার খবরটিকে উড়িয়ে দিলেন। বললেন, ‘তথ্যটি সঠিক নয়।’

এর আগেও মাহিয়া মাহি বিয়ের গুঞ্জনকেও উড়িয়ে দিয়েছিলেন। তবে সেই গুঞ্জনও সত্যি হয়েছিল। এখন এই গুঞ্জন কবে ডালপালা মেলছে সেটাই দেখার বিষয়।

সম্প্রতি সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের সাথে তাঁর এবং চিত্রনায়ক ইমনের পুরনো একটি কল রেকর্ড ফাঁস হয়, এই নিয়ে জল গড়িয়েছে অনেক।

সে সময় ফাঁস হওয়া ওই ফোনালাপ নিয়ে মাহি বলেন, ‘আপনারা নিজে থেক একবার চিন্তা করে দেখবেন আসলে এই ভাষার প্রতি-উত্তর আমি কী দিতাম সেই সময়? বলার ভাষা আমার সেদিন ছিল না। আমি নিজের মতো করে উত্তর দিয়ে পাশ কাটিয়ে গিয়েছিলাম সেদিন। এটা ঠিক দুই বছর আগের ঘটনা ছিল। আমি বরাবরের মতো সেদিনও বলেছিলাম, আল্লাহ আমি কষ্ট পেয়েছি। যার মাধ্যমে কষ্ট পেয়েছি কোনো না কোনোভাবে তিনি তাঁর ফল পেয়েছেন। এটা আমার কাছে প্রমাণিত।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com