মঙ্গলবার, ৩০ Jun ২০২৬, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের পর কলকাতা থেকে টেলিসিনে অ্যাওয়ার্ড পেলেন সংগীতশিল্পী সোমনুর মনির কোনাল। ঈদে প্রকাশিত হয়েছে তার কয়েকটি গান। এসব নিয়ে এই তারকার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ
টেলিসিনে অ্যাওয়ার্ড…
দেশের বাইরে থেকে প্লেব্যাকের জন্য পুরস্কার পেলাম। টেলিসিনে অ্যাওয়ার্ড কলকাতার বেশ সম্মানজনক পুরস্কার। সবচেয়ে ভালো লাগে, এই পুরস্কারের আয়োজনে কলকাতা ও বাংলাদেশের শোবিজ তারকারা একসঙ্গে মিলিত হন। এর আগেও বাংলাদেশ থেকে কয়েকজন বিখ্যাত তারকা এই পুরস্কার পেয়েছেন। তাদের কাতারে দাঁড়িয়ে আমার খুব আনন্দ লাগছে। ‘বীর’ চলচিত্রের ‘ভালোবাসার মানুষ তুমি’ গানটির জন্য ২০২০ সালের সেরা গায়িকা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাই। সেই গানটির জন্যই আবার পুরস্কার পেলাম। করোনার কারণে ২০১৯ ও ২০২০-এ এই আয়োজনটি হয়নি। তাই এবার একসঙ্গে তিন বছরের পুরস্কার দিয়েছেন আয়োজকরা। আমি গর্বিত, যে মঞ্চে রুনা লায়লা ম্যামকে আজীবন সম্মাননা জানানো হলো, সেই মঞ্চেই আমি সেরা গায়িকার পুরস্কার পেয়েছি। আমি সব সময় রুনা ম্যামকে আমার আদর্শ মনে করেছি। তার চোখের সামনে এই অর্জনগুলো আমাকে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা দেয়।
ঈদে পাঁচ গান…
শ্বশুরবাড়ির ভাষায়…
যেহেতু আমি চট্টগ্রামের মানুষ নই, তাই অমন শক্ত ভাষার গানটি করা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে ভেতরে ভেতরে আলাদা উত্তেজনা কাজ করছিল বলে কোনো বাধাই আমাকে কাবু করতে পারেনি। এই উত্তেজনার কারণ হলো, আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তারা চট্টগ্রামের মানুষ। তাই শ^শুরবাড়ির ভাষায় গান করছি বলে তারা খুব খুশি। কম্পোজার আভ্রাল সাহিরকে ধন্যবাদ, গানের কথাগুলো ধরে ধরে শিখিয়ে দেওয়ার জন্য। তবু আমি ভীত চিলাম, ঢাকাইয়া মেয়ে, না জানি কেমন গাইলাম চাটগাঁইয়া গান। তবে আমি চিটাগাংয়ের ভাষায় একটা গান গাইতে চেয়েছিলাম, শ্বশুরবাড়ি বলে কথা! ‘প্রেমের বান’ শিরোনামে গানটি শিখতে বেশ সময় লেগেছে।
গাওয়ার সময় বারবার ভুল হচ্ছিল। তবে প্রকাশের পর সব দ্বিধা কেটে গেছে। চিটাগাংয়ের মানুষ আমার গানটি ভালোবাসার সঙ্গে শুনেছেন, তাই ভুলের দিকে কেউ দৃষ্টি দেননি।