মঙ্গলবার, ৩০ Jun ২০২৬, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন
ক্যারিয়ারের ২৩ বছর পূর্ণ করলেন ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান। সর্বশেষ ঈদে ‘গলুই’ সিনেমা দিয়ে তার ক্যারিশমা আরও একবার প্রমাণ করেছেন। সুদূর আমেরিকা থেকে দীর্ঘ অভিনয়যাত্রা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি
যাত্রা শুরু…
১৯৯৯ সালের ২৮ মে মুক্তি পেয়েছিল আমার প্রথম সিনেমা ‘অনন্ত ভালোবাসা’। সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত এই ছবির মাধ্যমে রুপালি পর্দায় নামের আগে ‘চিত্রনায়ক’ তকমা লেগেছিল! আমার প্রথম নায়িকা ছিলেন ইরিন জামান।
অভিজ্ঞতা…
টার্নিং পয়েন্ট…
১৯৯৯ সালে চলচ্চিত্রে পা রাখলেও কঠোর পরিশ্রম করে প্রথম অর্ধযুগ পার করেছি। ২০০৫ সালে ‘আমার স্বপ্ন তুমি’ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবার একক নায়ক হিসেবে সুপারহিট ছবির দেখা পাই। বলতে গেলে এই ছবিটিই আমার টার্নিং পয়েন্ট। এরপর ‘কোটি টাকার কাবিন’ থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তখন চিত্রনায়ক মান্না বেঁচে ছিলেন। তিনি ছিলেন আমাদের সিনেমার তখনকার সুপারস্টার। তার পাশাপাশি নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা ছিল চ্যালেঞ্জিং। তাই আমি ভিন্ন পথে হাঁটি। তিনি অ্যাকশন ছবিতে প্রসিদ্ধ। এজন্য আমি শুধুমাত্র অ্যাকশন ছবির দিকে ঝুঁকিনি। রোমান্টিক, পারিবারিক, সোশ্যাল ড্রামা এমনকি কমেডি ছবিতে নিজেকে মেলে ধরতে থাকি। আস্তে আস্তে অ্যাকশন ছবিতেও দর্শক আমাকে দারুণভাবে গ্রহণ করেন। সব সময় চেয়েছি দেশের সিনেমা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিয়ে যেতে। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালে শিকারি, এরপর নবাব, ভাইজান এলো রে, চালবাজ, নাকাব চলচ্চিত্রগুলোতে কাজ করি কলকাতায়। সেখানকার দর্শক, প্রযোজক ও পরিচালকরাও আমার ওপর আস্থা রাখতে শুরু করেন।
কৃতজ্ঞতা…
অভিনয় জীবনে আজ পর্যন্ত যেসব পরিচালক, প্রযোজক, সহশিল্পী এবং ক্যামেরার পেছনে থাকা কলাকুশলীর সঙ্গে কাজ করেছি সবাইকে ধন্যবাদ। আমার ২৩ বছরের ক্যারিয়ারে তাদের অবদান অসামান্য! বিশেষভাবে আমি আমার দর্শকদের কাছে কৃতজ্ঞ; যারা আমার সকল শক্তি ও অনুপ্রেরণার উৎস, তারা আমাকে এতগুলো বছর ভালোবাসা এবং সম্মান দিয়ে যাচ্ছেন। আমার পরিবারের কাছেও কৃতজ্ঞ, তাদের চিরস্থায়ী সমর্থনের জন্য। সবার জন্য হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা।