সোমবার, ২৯ Jun ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

কিংবদন্তি অভিনেতা রহমানের চলে যাওয়ার ১৭ বছর

সাদা-কালো চলচ্চিত্রের বাংলাদেশের কিংবদন্তি অভিনেতা রহমানের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০০৫ সালের ১৮ জুলাই না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। তার পুরো নাম আবদুর রহমান। তিনি অভিনয় করেছেন বাংলা, উর্দু ও পশতু ভাষার সিনেমায়। সিনে পর্দার রঙ যখন সাদাকালো, তখন তার দারুণ জনপ্রিয়তা।

রহমান দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বহু অভিনেত্রীর সঙ্গেই জুটি বেঁধে কাজ করেছেন। তবে তিনি সর্বাধিক জুটি বেঁধেছেন শবনমের সঙ্গে। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে রহমান-শবনম জুটি একটি উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করে রয়েছে।

রহমান ১৯৩৭ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার রসেয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান তিনি। তাই সিনেমার জগতে আসা সেই সময়ে তার জন্য ছিল অকল্পনীয় একটা স্বপ্ন। একদিন বাবাকে না বলে বাড়ি থেকে লুকিয়ে পাড়ি দেন ঢাকায়।

ঢাকায় এসে রহমান সুযোগ পান কালজয়ী নির্মাতা এহতেশামের সিনেমায় কাজ করার। ১৯৫৮ সালের সেই সিনেমার নাম ‘এ দেশ তোমার আমার’। তারপর আর তাকে থেমে থাকতে হয়নি। এরপর ধীরে ধীরে তিনি ‘উত্তরণ’, ‘তালাশ’, ‘চান্দা’, ‘জোয়ার ভাটা’, ‘হারানো দিন’ ও ‘দেবদাস’ ইত্যাদি সিনেমায় অভিনয় করেন।

১৯৬৫ সালের ১৬ এপ্রিল মুক্তি পায় ‘বাহানা’। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে জহির রায়হান ছবিটি নির্মাণ করেন। এই চলচ্চিত্র ব্যাপক জয়প্রিয়তা এনে দেয় নায়ক রহমানকে। ১৯৬৭ সালে ‘দরশন’ চলচ্চিত্র নির্মাণের মাধ্যমে পরিচালনায় আসেন তিনি। তার পরিচালিত উর্দু চলচ্চিত্র হলো ‘দর্শন’, ‘কঙ্গন’, ‘যাহা বাজে সেহনাই’ ইত্যাদি। আর বাংলা চলচ্চিত্র ‘নিকাহ’।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি পাকিস্তানে উর্দু চলচ্চিত্র ‘চাহাত’, ‘দোরাহা’ ও ‘লগান’-এ অভিনয় করেন। পরে তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন। বাংলাদেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। রহমান অভিনীত শেষ চলচ্চিত্র ছিল অশোক ঘোষ পরিচালিত ‘আমার সংসার’।

ক্যারিয়ারে অভিনেতা রহমান জিতেছেন নিগার পুরস্কার, বাচসাস পুরস্কার-সহ বিভিন্ন সম্মাননা। তবে বাংলা সিনেমার রূপালি সময়ের দর্শকের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তার অভিনীত ও পরিচালিত চলচ্চিত্রগুলো মানুষের মনে চিরকাল গেঁথে থাকবে

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com