বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
উপমহাদেশের সিনেমাকে জনপ্রিয় করায় গানের ভূমিকা অপরিসীম। ঢাকাই সিনেমাও জনপ্রিয় হয়েছে তার অনেক মন-মাতানো গানে। সিনেমার নির্মাতাকে তার ছবিতে কী গান থাকবে, গানটি আদৌ দর্শকপ্রিয় হবে কিনা এ নিয়ে অনেক চিন্তা-ভাবনা করতে হয়। তবে এরকম চিন্তা-ভাবনার ধারাবাহিকতা একটা সময়ে এসে কমে আসছিল। স্থায়ী শ্রোতাপ্রিয়তার পরিবর্তে প্রচুর অস্থায়ী শ্রোতাপ্রিয় আজেবাজে গান দেখা গেছে এ সময়ে। তবে ঢাকাই সিনেমার ক্ষেত্রে যেটা সব সময়েই ব্যতিক্রম সেটা দেশাত্মবোধক বা লোকগানে। বলা চলে, সিনেমাতে বরাবরই লোকগানের মৌলিকত্ব বা মূল সুর ধরে রাখতে সচেষ্ট থেকেছে। লোক আঙ্গিকের মূল ধারা, মূল বাণীকে অক্ষুণ্ন রেখেই প্লে-ব্যাক হয়েছে সবচেয়ে বেশি। যেহেতু লোকগানের শ্রোতা গোটা দেশের আপামর জনগণ তাই এই গানে যাতে বিকৃতি না ঘটে বা মূল সুর থেকে বিচ্যুত না হয় সে বিষয়ে নির্মাতারাও সজাগ থাকেন। কারণ, দেশের সব শ্রোতাই এই গানের সঙ্গে কম- বেশি পরিচিত। সে কারণেই এ পর্যন্ত সিনেমায় যত লোকগান বা দেশাত্মবোধক গান ব্যবহার করা হয়েছে তার প্রায় সবই জনপ্রিয় হয়েছে। তুলে নিয়েছে এই বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও।
সর্বশেষ ২০২১ সালের ‘পদ্মাপুরান’ চলচ্চিত্রের ‘দেখলে ছবি পাগল হবি’- রাধা রমনের এই গানটিতে কণ্ঠ দিয়ে এ পুরস্কার লাভ করেন চন্দনা মজুমদার। এরপর সোহেল রানা বয়াতির ‘নয়া মানুষ’ নামের আরও একটি সিনেমার জন্য টাইটেল গান গেয়েছেন বাউল শফি মণ্ডলের সঙ্গে। এটিও লোকজ আঙ্গিকের। এ সম্পর্কে শিল্পী চন্দনা মজুমদার বলেন, ‘সিনেমার গল্পটি চমকে ওঠার মতো। গানের কথায় যে আবেদন আছে, এমন কথা সচরাচর পাওয়া যায় না। বাউল শফি মণ্ডল বলেন, ‘দারুণ একটা গান হয়েছে। খুব কম গান হৃদয় ছুঁয়ে যায়। এ গানটি সেই কম গানের তালিকায় থাকবে নিশ্চিত।’