শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত মিয়ানমারের ৫ হাজার নাগরিককে ধাপে ধাপে স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম চূড়ান্ত করেছে দেশটির সরকার। প্রথম দফায় আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর ১ হাজার ৪৭৬ জনকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হবে। গত বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, প্রথম দফায় প্রত্যাবাসনের জন্য নির্ধারিত ১ হাজার ৪৭৬ জনের পরিচয় মিয়ানমার সরকারের ১৩ আগস্টের কূটনৈতিক নোটের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সমন্বয় সভায় তাদের প্রত্যাবাসনের তারিখও অনুমোদন করা হয়েছে। প্রথম দফার প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ ও একটি হাসপাতাল জাহাজ ব্যবহার করা হবে। এ বিষয়ে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মধ্যে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক ও সমন্বয় সম্পন্ন হয়েছে। খবর বাংলানিউজের।
মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৬ সালে শরণার্থী হিসেবে দাবি করা মিয়ানমারের ৪ হাজার ৮ জন নাগরিককে ‘ডকুমেন্ট পেন্ডাফতারান পেলারিয়ান’ বা ডিপিপি শরণার্থী নিবন্ধন কর্মসূচির আওতায় নেওয়া হবে। একই সময়ে আরও ৫ হাজার ব্যক্তি স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফেরার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাবেন।
গত ১৫ আগস্ট পর্যন্ত মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপোতে আটক ছিলেন মিয়ানমারের ১০ হাজার ৩৮৮ নাগরিক। তবে তাদের সবাইকে শরণার্থী হিসেবে গণ্য করা হবে না। ইমিগ্রেশন বিভাগ ও রয়্যাল মালয়েশিয়ান পুলিশ তাদের পরিচয়, নাগরিকত্ব, ইমিগ্রেশন অবস্থা, শরণার্থী দাবি এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করছে। এই যাচাই কার্যক্রম ২০২৬ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।